মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটের পদ্মা নদীতে ফেরির ধাক্কায় স্পিড উল্টে সুফিয়া বেগম নামের এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত এক যাত্রী। এছাড়াও আহত হয়েছেন ১০ যাত্রী।
আজ সকাল সোয়া ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুফিয়া বেগম (৬০) মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার হাসাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য।
আহতদের ছয়জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের আহতদের প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন শ্রীনগরের জালাল সরকার (৫০)। সে কেয়টকালীর বাবর আলীর পুত্র। ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও ডুবরী তলব করা হয়েছে।
লৌহজং থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান, শিমুলিয়া ঘাট থেকে কাঁঠালবাড়ি যাওয়ার পথে ফেরি সাথে থাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। ফেরি ছাড়াও আশপাশের ফেরি, স্পিডবোট ও নৌযান দ্রুত যাত্রীদের উদ্ধার করে। তবে এখনও অন্তত এক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির এজিএম খন্দকার শাহ মো. খালেদ জানান, শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে মাঝপদ্মায় স্পিডবোটটি ফেরি টাপলুর সাথে এসে ধাক্কা খায়। এ সময় কাছাকাছি ছিল ফেরি কপতী। মাইকিং করে বয়া ফেলে এমনকি স্টাফরা ঝাঁপিয়ে পড়ে পদ্মা থেকে কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি মূল পদ্মার মাঝামাঝি স্থানে। এখানে প্রবল স্রোত বইছে। সেখানেই স্পিডবোটটি গিয়ে ফরির সাথে ধাক্কা খেয়ে পদ্মায় ছিটকে পড়ে। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি শিমুলিয়া ঘাট থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে।
পুলিশ জানায়, স্পিডবোটটি খলিল কোম্পানীর। চালক পালিয়ে গেছে। তার পরিচয় উদ্ধার এবং গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।





