দক্ষ ফুটবলার তৈরিতে ভূমিকা রাখছে এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ফুটবলের বিভিন্ন কৌশল আয়ত্ব করছে ‘এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার’র খেলোয়ারেরা

ফুটবল

দক্ষ ফুটবলার তৈরিতে ভূমিকা রাখছে এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার

  • ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৯ ডিসেম্বর, ২০২১

চলতে বছরের মার্চে ১ মাসের ফ্রি ক্যামের মধ্যে দিয়ে দক্ষ ও দেশীয় মানের খেলোয়ার গড়ার লক্ষে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় যাত্রা শুরু করে ‘এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার’। এক বছরেরও কম সময়ে দেশের ফুটবল জগতে আলো ছড়াতে শুরু করেছে উপজেলা পর্যায়ের এই ফুটবল ট্রেনিং সেন্টারটি।

যাত্রা শুরুর প্রথমের দিকে মাত্র ৭ জন খেলোয়ারকে নিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করে এটি। বর্তমানে এখানে ১৩ থেকে ২১ বছর বয়সী ২০ জন তরুন ফুটবলার নিয়মিত ফুটবল অনুশীলন করছে। তাদের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল টিম (অনুর্ধ্ব ১৫) এর সহকারী কোচ মেহেদী হাসান সিদ্দিকী।

পাশাপাশি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ডি ক্যাটাগরির কোচ সাখাওয়াত হোসেন সহ স্থানীয় দক্ষ কয়েকজন খেলোয়ার এসব তরুণ খেলোয়াদেরকে নিয়মিত ফুটবলের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে।

এই ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণে থাকা কালীন চলতি বছরে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) -তে সুযোগ পেয়েছে তরুণ খেলোয়ার রেদওয়ান। এছাড়াও দেশের আভ্যন্তরীন বসুন্ধরা কিংস একাডেমী কাপ-২০২১ টূর্ণামেন্টে এসএফসিএ দলের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টারের হেমন্ত ও শ্রীজল নামের দুজন তরুণ ফুটবলার।

বৃহস্পতিবার ভোরে সরেজমিনে ঘোড়াঘাট ফুটবল খেলার মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ১৯ জন তরুন ফুটবলার মাঠে অনুশীলন করছে। তাদের প্রশিক্ষণের জন্য মাঠে রয়েছে আধুনিক মানের বিভিন্ন ক্রীড়া সরঞ্জাম। দক্ষ প্রশিক্ষক তাদেরকে ফুটবলের বিভিন্ন কৌশল শেখাচ্ছেন।

সেখাকে অনুশীলন করা তরুন ফুটবলার নাহিদ হাসান বলেন, আমরা প্রতিদিন ভোর সাড়ে ৬ টায় অনুশীলন শুরু করি এবং সকাল ৯টায় তা শেষ হয়। দক্ষ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে আমরা প্রতিনিয়ন ফুটবলের বিভিন্ন কৌশল শিখছি এবং তা নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে স্থানীয় টুর্ণামেন্টে প্রয়োগ করছি।

‘এলিট ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার’ এর পরিচালক রাজু মিয়া বলেন, ঘোড়াঘাট এবং এর আশপাশের তরুন এবং যুবকদের মাঝে ফুটবলের বেশ ভালো প্রতিভা আছে। কিন্তু তারা সেই প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাচ্ছে না। আমরা এই ফুটবল ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে জাতীয় মানের ফুটবল জাদুকর তৈরির চেষ্টা করছি।

তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্য আমাদের এই তরুন খেলোয়ারেরা জেলা, আন্তঃজেলা এবং জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন টুর্ণামেন্টে দারুন খেলা উপহার দিয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। আমাদের এই ধারা অব্যাহত থাকলে অতি শীঘ্রই আমাদের খেলোয়ারেরা জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পাবে বলে আমি আশাবাদী।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads