জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ সহিংসতার দিকে যাচ্ছে। গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে ভয়াবহতম বিক্ষোভ কর্মসূচির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে জরুরি অবস্থা জারি করার কথা ভাবছে দেশটির সরকার। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকর্মীদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি মুখপাত্র বেঞ্জামিন গ্রিভো গতকাল রোববার এসব কথা জানান। খবর বিবিসি ও সিএিনএন।
ইউরোপ-১ রেডিওকে গ্রিভো বলেন, গত শনিবার মুখোশ পরিহিত একদল যুবক লোহার রড ও কুড়াল নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা করে। তারা বহু গাড়ি পুড়িয়ে দেয় এবং ভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব ঘটনা যেন আর না ঘটে তা সেজন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছি।
গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশজুড়ে বিক্ষোভের পর ‘ইয়েলো জ্যাকেট’ মুভমেন্ট হঠাৎ সহিংস হয়ে ওঠে। জ্বালানি কর ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের খরচ বৃদ্ধির প্রতিবাদে যানবাহনে রাখা হলুদ জ্যাকেট পরে রাস্তায় নামে রাস্তায় নামে আন্দোলনকারীরা। এই ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাখোঁ রোববার এক জরুরি বৈঠক ডাকেন। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংলাপ শুরুর বিষয়ে আলোচনা করেন তারা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচির কোনো নেতা না থাকায় আলোচনা করাটা সরকারের জন্য বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। গত ১৭ নভেম্বর সামাজিক মিডিয়ার কল্যাণে দেশটির সর্বত্র খুব দ্রুত আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।





