চাঁদপুর জেলায় নতুন করে আরো ২৭ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে সাত জনের রিপোর্টই পজেটিভ। আগের ২২ জনসহ এখন আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ জন। এর মধ্যে শুক্রবার রাতে চাঁদপুর সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে মারা যাওয়া হাজীগঞ্জের রাজারগাঁও গ্রামে বাড়ী ফাতেমা বেগমও (৪০) রয়েছেন। তিনিসহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪ জনে।
সোমবার দিবাগত গভীর রাতে নতুন করে আরও ২৭ জনের রিপোর্ট আসে। এর মধ্যে নতুন সাতজনের আক্রান্ত নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য বিভাগ। দুইজন আগের পজেটিভ ছিলো। বাকীদের রিপোর্ট নেগেটিভ।
নতুন আক্রান্ত অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের ২জন কর্মচারী ও সদর হাসপাতালের এক কর্মচারির স্ত্রীও রয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন মো. সাখাওয়াত উল্যাহ। এছাড়াও হাজীগঞ্জে ১জন, শাহরাস্তির ১জন, ফরিদগঞ্জের ১জন ও হাইমচরে ১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে চাঁদপুরের আরো ২৭জনের নমুনা টেস্টের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ৯জনের রিপোর্ট করোনা পজেটিভ এসেছে। তবে এদের মধ্যে ২জন আগেই পজেটিভ ছিলেন। নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৭জন। তাই এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা হবে ২৯জন।
তিনি জানান, ১ মে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে মারা যাওয়া ফাতেমা বেগমের রিপোর্টও উল্লেখিত ৭জনের মধ্যে রয়েছে। তাই চাঁদপুরে করোনায় আক্রান্তে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪জন হয়েছে।
ডা. রুবেল আরো জানান, আগে আক্রান্ত যে ২জনের রিপোর্ট পুনরায় পজেটিভ এসেছে। তারা হলেন-চাঁদপুর সদরের কামরাঙ্গা গ্রামে করোনায় মারা যাওয়া ফয়সালের শালিকা এবং অপরজন সেই ব্যক্তি যে ঢাকায় শনাক্ত হয়ে চাঁদপুর এসে সদর হাসপাতাল থেকে পালিয়েছিল। পরে পুলিশের সহযোগিতায় তাকে ফরিদগঞ্জের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুনরায় সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে নতুন আক্রান্তদের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে সিভিল সার্জন অফিস থেকে।
এদিকে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নে করোনা উপসর্গ নিয়ে রবিবার বিকেলে রেখা বেগম নামে এক মহিলা ও সোমবার সকালে শহীদ উল্যাহ্ ৬৫ নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।





