অপরাধ

হত্যা মামলায় সাক্ষীর উপর হামলা,মহিলাসহ আহত ১০

  • ''
  • প্রকাশিত ১৩ অক্টোবর, ২০২৩

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষী দেয়ায় সাক্ষীর উপর হামলা চালিয়ে গুরুত্বর আহত করেছে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আসামীর লোকেরা ।
এতে মহিলাসহ ১০আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে সাফিনুর মিয়া(৩৫),তছলিমা খাতুন(৪২),হেকিমা খাতুন(৫০)কে তাহিরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সকালে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া আর্দশগ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান,ঘাগটিয়া গ্রামে শহিদনুরের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে সাবিনুর মিয়া আদালতে সাক্ষী দেয়ায় কারনে সকালে তার বাড়িতে গিয়ে মোশাহিদ হোসেন রানু নেতৃত্বে ১৫-২০জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে সাবিনুর মিয়াসহ বাড়িতে থাকা মহিলাসহ ১০জনকে গুরুত্ব আহত করে।

শহীদনুর হত্যা মামলার বাদী গোলাম নুর জানান,আমার ভাইয়ের হত্যাকারীরা সাক্ষীদের উপর হামলা চালিয়েছে কেন সাক্ষী দিল। শুধু তাই নয় মামলা তুলে নিতে বলেছে না হলে আমাকেও হত্যা করবে বলে হুমকি দেয় মোশাহিদ হোসেন রানুসহ তার লোকজন।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী নাজিম উদ্দীন জানান,ঘটনাটি শুনেছি এঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ,গত ২০২০সালের ৩ মার্চ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজলোর বাদাঘাট ইউনিয়নরে ঘাগটিয়া গ্রামের মৃত নবিকুলের ছেলে গোলাম কাদির মিয়ার সঙ্গে তার সৎ বোন তাছলিমার পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ ভাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ ছিল। আর মৃত নবিকুলের ছোট ভাই নাসির উদ্দিন ভাতিজি তাছলিমার পক্ষ নেওয়ায় কারণে ভাতিজা গোলাম কাদির মিয়ার সঙ্গে নাসির উদ্দিনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই সকালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দা, কিরিচ নিয়ে দু-পক্ষের লোকজন সংর্ঘষে জড়ায়। এক পর্যায়ে গোলাম কাদির মিয়ার লোকজনের অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন নাসির উদ্দিন তার ছেলে শহিদ নুর মিয়াসহ ১০জন। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী তাদের উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে র্কতব্যরত চিকিৎসক শহিদ নুরকে মৃত ঘোষণা করনে। নিহত শহিদনুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগটিয়া গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads