বিজয় ঘোষ, রাজশাহী ব্যুরো
বরেন্দ্র এলাকায় খালে পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সেচ সম্প্রসারণ কর্মসূচি প্রকল্পে রাজশাহীর চারঘাট, পুঠিয়া ও গোদাগাড়ীতে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে পরিবেশবান্ধব সোলার এলএলপি পাম্প। সোলার পাম্পের মাধ্যমে স্বল্প খরচে তিন উপজেলার জমিতে রোপা আমন চাষাবাদ করা হয়েছে। ডিজেলের চেয়ে খরচ কম হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরা এখন নির্ভর হয়ে পড়েছেন বিকল্প সেচ ব্যবস্থা সোলার পাম্পের ওপর। এ কাজে সহযোগিতা করছে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। সোলার পাম্পের মাধ্যমে চাষাবাদ করে কৃষকের খরচ ও সময় দুটিই সাশ্রয় হচ্ছে। হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন কৃষকরা। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পুঠিয়া জোন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে এলএলপি স্থাপিত খালের নাম নারোদ খাল (চারঘাট, মুক্তারপুর ঘাট থেকে পুঠিয়া বারইপাড়া পর্যন্ত)। খালের দৈর্ঘ্য ৩০ কিলোমিটার। মোট সোলার এলএলপি সংখ্যা ২০টি। প্রতিটি সোলারের ক্ষমতা ১৮ কিলোওয়াট, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ শক্তি ৩৬০ কিলোওয়াট। সম্পূরক সেচ এলাকা ৪৮৫ হেক্টর। উপকৃত কৃষক পরিবার ২ হাজার ৮৫০ জন। এ এলাকায় নারদ নদীতে ১৭টি এবং সন্ধ্যা নদীতে ৩টি মোট ২০টি সোলার এলএলপি স্থাপন করা হয়েছে।
বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী মো. সেলিম রেজা জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলে যেহেতু বোরো ফসল বেশি হয়, সেখানে সোলার পাম্প বেশি বসানো হচ্ছে। আমাদের ব্যাটারি নেই, জেনারেটর নেই, ডিজেল নেই। শুধু সূর্যের আলো ব্যবহার করে সোলার পাম্প পরিচালনা করছি। এ প্রযুক্তি দিয়ে দিনে টানা ৭-৮ ঘণ্টা পানি ওঠানো সম্ভব।





