কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি অভিযোগ করেছেন, তার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বিমান এবং পর্যটনমন্ত্রী একে এম শাহাজাহান কামালের লোকজন বিএনপির সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলা, ভাংচুর, তার নির্বাচনী প্রচারণা বাধাগ্রস্থ করে আসছে। পাশাপাশি প্রশাসন আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে বিজয়ী করতে গণগ্রেফতারসহ বিভিন্ন ভাবে তার লোকজনের উপর হয়রানি করে আসছে।
আজ শনিবার সকালে নিজ বাসভবণে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, তার উপর হামলা সহ বিভিন্ন ঘটনায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও থানার ওসি কে অবহিত করার পর কোন ধরনের সহযোগীতা পায়নি। প্রশাসনের মদদে আওয়ামী লীগের লোকজন তার লোকদের উপর হামলা ভাংচুর ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে।
এমতাবস্থায় সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল, পুলিশ সুপার আসম মাহাতাব উদ্দিন ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লোকমান হোসেন দ্রুত লক্ষ্মীপুর থেকে অপসারণ করার দাবী জানিয়েছেন তিনি।
এ্যানি আরও বলেন, পুলিশের সহযোগীতায় নৌকা প্রার্থীর লোকজন ভোটের আগের রাতেই ৩০-৪০% ভোট কাটার পরিকল্পনা করছে। এসব অবৈধ পরিকল্পনা প্রতিহত করতে নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন তারা।
এখানে নির্বাচনের কোন পরিবেশ নেই। পুলিশ অর্থের বিনিময়ে নৌকা প্রার্থীর পক্ষ নিচ্ছেন। পুলিশের সহযোগীতায় এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে বিমানমন্ত্রী শাহজাহান কামাল ও তার ভাই মাকছুদ কামাল।
এদিকে দুপুরে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী আবুল খায়ের ভুইয়া একই অভিযোগ করে বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য মোহাম্মদ আলী খোকন, জেলা যুবলীগের সভাপতি সালাহ উদ্দিন টিপু, রায়পুর উপজেলা চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন, পৌর আ’লীগের আহ্বায়ক জামশেদ কবির বাকী বিল্লাহ নেতৃত্বে পুলিশ ও সন্ত্রাসী বাহিনী ধানের শীষ কর্মী সমর্থকদের হামলা গ্রেফতার করছে।
এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী আপেল প্রার্থী পাপুল বিদেশ থেকে কালো টাকা এনে এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাবী জানান।





