সুরক্ষা উপকরণের সংকট

প্রতীকী ছবি

জাতীয়

করোনা ভাইরাস

সুরক্ষা উপকরণের সংকট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত ৫ মার্চ, ২০২০

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের বিস্তারের প্রেক্ষাপটে ফেস মাস্ক, গ্লাভস আর প্রোটেকটিভ গাউনের মতো সুরক্ষা উপকরণের সংকটের বিষয়ে সতর্ক করেছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (হু)। বিভিন্ন দেশে এসব উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় সরকার ও কোম্পানিগুলোকে উৎপাদনের পরিমাণ ৪০ শতাংশ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন হুর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস। খবর বিবিসির।

দুই মাস আগে চীনের উহান থেকে ছড়াতে শুরু করা করোনায় মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৩ হাজার ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ৯৩ হাজারে। করোনার প্রভাবে থমকে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতি যাতে আরেকটি মন্দার কবলে না পড়ে, সেজন্য সুদের হার নামিয়ে এনেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ। বিমান পরিবহন, পর্যটন ও ভারী শিল্প খাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার জন্য ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

নানারকম বিধিনিষেধ আরোপ করেও চীনের বাইরে ভাইরাসের বিস্তারের গতি কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ইতোমধ্যে প্রায় ৮০টি দেশে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার খবর এসেছে। সার্স ও মার্স পরিবারের সদস্য নতুন এ ভাইরাসের সংক্রমণে ফ্লুর মতো উপসর্গ নিয়ে যে রোগ হচ্ছে, তাকে বলা হচ্ছে কোভিড-১৯। এখন পর্যন্ত এ রোগে মৃত্যুহার ৩.৪ শতাংশ, যেখানে মৌসুমি ফ্লুতে মৃত্যুহার থাকে ১ শতাংশের নিচে।

হুর মহাপরিচালক গত মঙ্গলবার জেনিভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এখনো করোনার কোনো প্রতিষেধক তৈরি করা যায়নি, তবে এ রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। কিন্তু সুরক্ষা উপকরণের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় যেভাবে দাম বাড়ছে তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর থেকে সার্জিক্যাল মাস্কের দাম বেড়ে ছয়গুণ হয়েছে, এন-৯৫ মাস্কের দাম বেড়ে হয়েছে তিনগুণ। আর প্রোটেকটিভ গাউনের জন্য আগের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ খরচ করতে হচ্ছে। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এখন যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে প্রতি মাসে ৮ কোটি ৯০ লাখ মাস্ক, ৭ কোটি ৬০ লাখ গ্লাভস এবং ১৬ লাখ জোড়া গগলস প্রয়োজন। প্রাণঘাতী এ ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকায় গত ৩১ জানুয়ারি বৈশ্বিক সতর্কতা জারি করে হু। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি জারি করা হয় সর্বোচ্চ সতর্কতা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads