অপরাধ

সিআরবি পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে প্রধান সদর দপ্তরে চলছে গাঁজা চাষ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ২ নভেম্বর, ২০২৩

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি  :  

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম টাইগারপাস এলাকায় সহকারী প্রকৌশলী (সি.জি.ডি) কার্যালয়ের সীমানায় লাগানো হয়েছে গাঁজার গাছ। কিন্তু সরকারি অফিসের ভেতরে প্রকাশ্যে মাদক গাঁজার গাছ লাগানো হলেও প্রশাসন নীরব বা নজরে না আসার ব্যাপারটি গভীর রহস্যজনক।

অভিযোগ রয়েছে, মাদক কারবারিরা ওই অফিসের সামনে আস্তানা গেঁড়ে জমজমাট মাদক ব্যবসা চালায়। সন্ধ্যা হলেই সেখানে বেড়ে যায় বহিরাগতদের আনাগোনা। সহকারী প্রকৌশলীর অবহেলা ও রেলের কর্মচারীদের সহযোগিতায় চলছে এমন অপরাধমূলক কাজ।

ওই এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে,  টাইগারপাসস্থ সহকারী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের ভেতরেই লাগানো রয়েছে গাঁজার গাছ। সেখানে দায়িত্বে থাকা নাসির নামের একজনের সাথে কথা বলে জানা যায় নাসির সেখানে অস্থায়ী হিসেবে কর্মরত। গেটের দায়িত্ব থাকা চৌকিদার নাজিমের পরিবর্তে নাসিরকে গেট পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়। গাঁজার গাছের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে সে কিছু জানেনা বলে জানান।

কিন্তু অফিসের ভেতর গাঁজার গাছ লাগানোর অভিযোগ উঠেছে সেখানকার দায়িত্বে থাকা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে।

রেলের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পানি পূর্ত/চট্টগ্রাম) এর কার্যালয়ে প্রায় ৬ মাস আগেই এই গাঁজার গাছটি লাগানো হয়েছে বলে জানা যায়। গত ৬ মাস ধরে কর্মচারীরা গোপনে গাছটির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা করে প্রায় ৭ ফুট লম্বা করার পর বিষয়টি স্থানীয়রা প্রতিবেদককে  জানান।

গত বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেলের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পানি পূর্ত/চট্টগ্রাম) এর কার্যালয়ে ভেতরে প্রধান গেটের পাশে লাগানো হয়েছে এই গাঁজার গাছটি। তবে কৌশলে গাঁজার গাছটি দেখা না যায় মত কয়েকটি সাদা চালের বস্তা দিয়ে পর্দা তৈরি করে গাছটি সবার থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছিল এ সময় সেখানে দায়িত্বে নাজিম হোসেনকে পাওয়া না গেলেও সেখানে পাওয়া যায়, তার পরিবর্তে মো.নাসির নামের বহিরাগত এক ব্যক্তিকে। রেল কর্মচারী না হয়েও কিভাবে দায়িত্ব পালন করছেন জানতে চাইলে তিনি জানান, কিছু টাকার বিনিময়ে ওই অফিসের তিনজন কর্মচারী মো. নাজিম, জহির ও মুসার বদলি হিসেবে তিনি প্রায় সময় ওই অফিসের গেটে পাহারা দেন কথাবার্তা শেষে গণমাধ্যম কর্মীরা প্রকৌশলীর রুমের দিকে গেলে নাসির নামের ঐ ব্যক্তি গাছটি কেটে নিয়ে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টাইগারপাস এলাকার এক দোকানদার বলেন, চৌকিদার নাজিম এবং তার বদলি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা নাসির সরকারি অফিসের ভেতর গাঁজার গাছ লাগানোর সাথে জড়িত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শহীদুল্লাহ আগে থেকে জানলেও কখনো কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে জানতে সেখানকার দায়িত্বে থাকা উর্ধ্বতন উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় আমার কর্মচারী কেউ জড়িত থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads