ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় দগ্ধ রাসেল নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ সোমবার (৩ জানুয়ারি) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে দগ্ধ এখন পর্যন্ত চারজন মারা গেলেন।
এর আগে, গতকাল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তামিম (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটির শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছিল। পরে রোববার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
তারও আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় আইসিইউতে মৃত্যু হয় শাহিনুর খাতুন স্বপ্না (৪০) নামে এক নারীর। আর ঘটনার পরদিন রাতে ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় হাবিব খান (৪৫) নামে একজন।
এদিকে, ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে করা মামলায় লঞ্চের দু’চালককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার (২ জানুয়ারি) নৌ-আদালতের বিচারক স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগমের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। চালক দুজন হলেন- লঞ্চের ইনচার্জ চালক মো. মাসুম বিল্লাহ ও দ্বিতীয় চালক আবুল কালাম।
রাষ্ট্রপক্ষে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রসিকিউটিং অফিসার বেল্লাল হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘এমভি অভিযান-১০’ এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।





