পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, মাদক-জঙ্গীবাদ দমনে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে। তবে সম্পুর্নভাবে মাদক-জঙ্গী দমন করা পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য রাজনীতি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক, ইমাম ও পেশাজীবিসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসতে হবে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরের দিকে সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্সে মহিলা পুলিশ ব্যারাক ও বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত ভাস্কর্য “স্বোপার্যিত পতাকা”র উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি সাংবাদিকদের ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন, ইতোপুর্বে জঙ্গী ও মাদক বিরোধী অভিযানে সাংবাদিকরা আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছে। ভবিষ্যতেই সাংবাদিদের সহযোগিতা করার আহবান জানান।
তিনি আরো বলেন, জিরো ট্রলারেন্স নীতিতে আমরা মাদক নির্মূল করে যাচ্ছি। যারা এ পথ পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায় আমরা তাদের সুযোগ দেব। কিন্তু যারা এখনও এ কাজে জড়িত রয়েছেন, তারা যত শক্তিশালী হোক আইনের আওতায় তাদের আসতেই হবে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই জঙ্গীদের নির্মূলে পুলিশ সফল হয়েছে। দেশে একজন জঙ্গী থাকা পর্যন্ত দেশব্যাপী এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক, আমরা জেগে থাকবো তাদের নিরাপত্তায়।
এ সময় রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন বিপিএম (বার) পিপিএম, আরএমপির কমিশনার এ.কে.এম হাফিজ আক্তার পিপিএম, অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন-অর্থ) মাসুদুর রহমান ভুঞা, অতিরিক্ত ডিআইজি (অপরাধ ও অপারেসন্স) নিশারুল আরিফ, পুলিশ সুপার (এস্টেট ওয়েলফেয়ার) মো. বেলায়েত হোসেন, রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ বিপিএম পিপিএম, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ দাউদসহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে পুলিশ লাইনে আয়োজিত বার্ষিক পুলিশ সমাবেশ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন আইজিপি।





