সপ্তাহ ধরে বিদ্যুতের মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং দিশেহারা কেরানীগঞ্জবাসী। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। জুলাই থেকে আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীরা অনেকটাই পিছিয়ে পড়ে। সেই ধকল কাটিয়ে ওঠার আগেই বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অনেকটা দিশেহারা শিক্ষার্থীসহ তাদের অভিভাবকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে মোমবাতির ব্যবহার বাড়তে দেখা যায়।
স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী তাহমিদ হাসান নিহাল বলে, ক্লাসের হোমওয়ার্ক ঠিকমতো শেষ করতে পারছি না। কয়েকদিন ধরে সন্ধ্যার পর থেকে লোডশেডিংয়ে অনেকটা অতিষ্ঠ। রিজভী নামের এক অভিভাবক বলেন, আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা থেকে বঞ্চিত। এমন অবস্থায় স্থানীয় সব রাজনৈতিক নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আপনারা আমাদের প্রতিনিধি হয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করুন। আশা করি, কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে আমাদের বাচ্চাদের পড়ালেখার বিষয়টি মাথায় রেখে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা দেবে।
এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে যোগযোগ করলে তারা বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ না থাকায় লোডশেডিং বেশি হচ্ছে। কয়েকদিনের লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন কেরানীগঞ্জের বাসিন্দারা। এই লোডশেডিং কত দিন চলবে তাও জানা নেই স্থানীয় বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদের। তবে লোডশেডিংয়ের এই বিড়ম্বনা কেবল কেরানীগঞ্জে নয়, ঢাকাজুরে চলছে।





