সারা দেশ

ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে ঘাম ঝরছে কর্মী-সমর্থকদের

  • ''
  • প্রকাশিত ২১ মে, ২০২৪

সুদীপ্ত শামীম, গাইবান্ধা:

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী ও সদর উপজেলায় ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন। তবে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে ঘাম ঝরছে কর্মী-সমর্থকদের। দু’একটি কেন্দ্রে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নেই চলছে। 

এই তিন উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৩ জন। এরমধ্যে নারী ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭৭, পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ১৯ হাজার ৯২৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১৩ জন।

তিন উপজেলার ৩টি পৌরসভা ও ৩৮টি ইউনিয়নের ৪১৮টি কেন্দ্রের ২ হাজার ৮৮৩টি ভোটকক্ষে তারা ভোট প্রদান করছেন। তিন উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নজরদারির কারণে তেমন বড় ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা এখনও ঘটেনি।

মঙ্গলবার (২১ মে) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এবার সবগুলো কেন্দ্রেই কাগজের ব্যালটে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুর জামান রিংকু সকাল ১১টায় সাহাপাড়া ইউনিয়নের তুলশিঘাট কাশিনাথ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনের এসে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ভোট এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই হচ্ছে। তবে নানা কারণে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম। অবশ্য বেলা বাড়ার সাথে সাথে কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি বাড়ার আশা করছি। শেষ পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ বজায় থাকলে তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

সদর উপজেলার খামারবোয়লী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ৮০০ জন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ওই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ২৮৭ জন। ভোটারদের কেন্দ্রে আসার অনীহা দূর করতে কাজ করছেন প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা। তারা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কেন্দ্রে আনার চেষ্টা করছেন।

ভোট কেন্দ্রের বাইরে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা অস্থায়ী ক্যাম্প করে ভোটারদের সহযোগিতার অপেক্ষায় রয়েছেন। সেখানে ভোটারদের তালিকার নম্বর শনাক্ত করে দেওয়ার কাজ করছিলেন তারা। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী ভোটার না আসায় কিছুটা হতাশ দেখা গেল তাদের।

মারুফ হাসান নামে একজন সমর্থক বলেন, 'সুষ্ঠু ভোট হচ্ছে। কিন্তু ভোটারের উপস্থিতি কম। বাড়ি বাড়ি লোক পাঠানো হয়েছে ভোটারদের ডাকতে।'

জাহিদুল ইসলাম নামে আরেকজন বলেন, 'ভোটারদের বাড়ি থেকে আনা-নেওয়া করতে সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবুও তারা আসতে দেরি করছেন কেন বুঝতে পারছিনা।'

কেন্দ্রের একটি বুথে গিয়ে দেখা গেছে, প্রার্থীদের এজেন্ট ও পোলিং অফিসাররা খোশ গল্পে ব্যস্ত রয়েছেন। ভোটার না থাকায় এমন অবস্থা বলে জানান তারা।

প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুর রউফ বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে ভোটাররা আসছেন, ভোট দিয়ে নির্বিঘ্নে চলে গেলেও কেন্দ্রে অপেক্ষমাণ ভোটারের কোন লাইন পড়েনি। তবে শেষ সময়ে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads