চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামে ১৪ দফা দাবি আদায়ে কক্সবাজার, বান্দরবানসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের ২৬টি রুটে ১৮ অক্টোবর (বুধবার) সকাল থেকে পরিবহন ধর্মঘট চলছে। সকাল ৬টা থেকে শুর হওয়া এই ধর্মঘট সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
সড়কে শৃঙ্খলা আনা, বিআরটিএ’র অনুমোদন ব্যতীত স্লিপার কোচ চলাচল নিষিদ্ধ করা, অবৈধ থ্রি হুইলার বন্ধ করাসহ ১৪ দফা দাবিতে এই ধর্মঘটের ডাক দেয় এ সংগঠনটি।
এর আগে, একই দাবিতে গত ৯ই অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরী থেকে কক্সবাজার-বান্দরবানসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের সকল রুটে দুই ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেছিলেন পরিবহন শ্রমিকরা।
এদিকে, বাস চলাচল বন্ধ থাকায় সকাল থেকে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পটিয়া বাসের জন্য অপেক্ষায় থাকা রহিম উদ্দিন নামের এক যাত্রীকে ভোগান্তির প্রশ্ন করতেই তিনি বাংলাদেশের খবর কে বলেন, ‘নিউ মার্কেট যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়েছেন। তবে রাস্তায় নেমে একটি বাসও পাননি। সিএনজি অটোরিকশা নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে দিতে হয়েছে বাড়তি টাকা।’
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ দেশে কিছু একটা হলেই যাত্রীদের জিম্মি করে পরিবহন চালকরা।
শ্রমিক সংগঠনের নেতারা দৈনিক বাংলাদেশের খবর কে জানান, সড়কে শৃঙ্খলা আনা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধসহ একাধিক দাবিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-টেকনাফ-বান্দরবান সড়ক ও উপ-সড়কে বুধবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয় চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চল-কক্সবাজার-বান্দরবান জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। যার কারণে এ রুটে কোনও গাড়ি চলছে না।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে আছে- সাধারণ বাসকে ডবল ডেকার বাস (স্লিপিং কোচ) বানিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-টেকনাফের অপ্রশস্থ সড়কে চলাচল নিষিদ্ধ করা, চট্টগ্রাম জেলার বাইরে থেকে আসা এসি/নন এসি বাসগুলোতে লোকাল রুটের যাত্রী পরিবহন বন্ধ, মহাসড়ক ও উপ-সড়কে সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, ইজিবাইক, টমটম চলাচল বন্ধ করা, মহাসড়কের পাশে অবৈধ হাটবাজার উচ্ছেদ, ঢাকা-চট্টগ্রামে একই ট্রাফিক আইনে ‘জরিমানা বৈষম্য’ নিরসন, খোলা ট্রাকে লবণ পরিবহন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, পুলিশের ‘রিকুইজিশন বাণিজ্য’ বন্ধ করা, চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল সংস্কার ও কক্সবাজার পৌর বাস টার্মিনালে ময়লা আবর্জনার স্তূপ অবিলম্বে পরিষ্কার করা।





