ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তার পানি।
শুক্রবার (১৭জুন) দুপুরে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সূত্রে জানায় শুক্রবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প লালমনিরহাট তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়। পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জল কপাট খুলে রাখা হয়েছে। এদিকে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। ডুবে গেছে ধান, পাট ও শাক-সবজি ক্ষেত। দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা।
জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম, হাতীবান্ধার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সির্ন্দুনা, পাটিকাপাড়া, সিংগিমারী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, পলাশী, সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা বলেন, তিস্তা নদীর পানি এখন বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে নদীর পানি ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার দশমিক ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যেকোনো সময় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। তাই তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জল কপাট খুলে রাখা হয়েছে।





