যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (বিএইচবিএফসি)। প্রতিষ্ঠানর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আফজাল করিম-এর নেতৃত্বে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দিবস উদযাপন করা হয়। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা প্রতিষ্ঠানটির সদর দফতর ভবনের বিভিন্ন পরিসরে সীমাবদ্ধ রাখা হয়।
দিবসের প্রথম প্রহরে বিএইচবিএফসি’র পুরানা পল্টন সদর দপ্তর ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিজস্ব বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির সকল মহাব্যবস্থাপকরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, জাতীয় দিবসের তাৎপর্য এবং বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্পোরেশনের মহাব্যবস্থাপক অরুন কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আফজাল করিম প্রধান অতিথি ও বিশেষ আলোচক হিসেব বক্তব্য রাখেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মো. আফজাল করিম পরাধীন জাতির আত্ম পরিচয়হীনতার গ্লানি ও বঞ্চনার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে স্বাধীনতা অর্জনের পথে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম,আপোষহীন নেতৃত্ব,তার অবিচল সাংগঠনিক যোগ্যতা ও ত্যাগের বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি জাতির পিতার অবিসংবাদিত এবং দেশপ্রেমিক সফল নেতৃত্ব যোগ্যতা মহান অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোনালী সূর্যকে জাতীয় জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মর্মে উল্লেখ করেন। বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের সংগ্রাম, সাধনা ও ত্যাগের ফসল আমাদের মহান স্বাধীনতার মূল্য উপলদ্ধি এবং এজন্য তাঁর অবদানের তাৎপর্য অনুভব ও হৃদয়ে লালন করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। এ পর্যায়ে তিনি স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের নিহত সদস্যরা, ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ মা বোনের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দিনের আনুষ্ঠানিকতার ৩য় পর্যায়ে মহান স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগকারী বঙ্গবন্ধু,তার পরিবারের সদস্যরা ও সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
কর্পোরশনের মসজিদের ইমাম জনাব ক্বারী মো. হোসাইন আহমদ দোয়া মাহফিল পরিচালনা করে।দিনটির তাৎপর্য ও বঙ্গবন্ধুর অবদান বিষয়ক আলোচনায় মহাব্যবস্থাপক মো. খাইরুল ইসলাম,মো. জসীম উদ্দীন, মো. আতিকুল ইসলাম, চানু গোপাল ঘোষ এবং অরুন কুমার চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। বিএইচবিএফসি’র বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আলোচনা সভায় তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী মহাব্যবস্থাপক আনন্দ কুমার ঘোষ।





