নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যমুনার তীর ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। গত দুই দিনে প্রবল স্রোতের টানে বগুড়া ধুনটের ভাণ্ডারবাড়ি কৈাগাড়ি ও বরইতলী এলাকায় ৫৬ মিটার পাড় ধসে গেছে। এতে নদীর তীরবর্তী কৈয়াগাড়ী, বানিয়াযান, বরইতলী, ভাণ্ডারবাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ মধ্যে আবারও নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীরা জানিয়েছে, নদীর পানি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতে টানে রোববার কৈয়াগাড়ি ও বরইতলী গ্রামের সামনে দুই পাড়ে ধস নেমে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ৫৬ মিটার পাড় ধসে পড়েছে।
বগুড়া পাউবোর উপ সহকারী প্রকৌশলী আসাদুল বারী যমুনার পাড় ধসে যাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, ধস ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুত্র জানায়, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে প্রায় ৩১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে যমুনা নদীর সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুরের সীমানা থেকে ধুনটের ৬ কিলোমিটার এলাকায় যমুনার ডানতীর সংরক্ষণ প্রকল্প (রিভেটমেন্টের ) কাজ করার কারণে নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক দুর হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক বছর থেকে উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরবর্তী শহরাবাড়ি, শিমুলবাড়ি, বানিয়াযান , বরইতলী, কৈয়াগাড়ি, পুকুরিয়া, ভুতবাড়িসহ ৭-৮ গ্রামের মানুষ নদী ভাঙ্গন থেকে অনেকটাই নিরাপদে ছিল। গত কয়েকদিন ধরে যমুনার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানির স্রোত ও ঘূর্ণাবর্তে কৈয়াগাড়ি ও বরই তলী এলাকায় তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের ৫৬ মিটার ধসে যায়।
ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুল করিম আপেল বলেন, যমুনার ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্প রক্ষা করা না গেলে ৪/৫টি গ্রামসহ আবাদী জমিজমা ও মুল্যবান স্থাপনা যমুনার পেটে যাবে।
বগুড়া পাউবোর দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, যমুনা নদীর ডান তীর সংরক্ষন প্রকল্পের ধুনটের অংশের কাজ সমাপ্তির ২/৩ বছরের মধ্যে কৈয়াগাড়ী এলাকায় সামনে যমুনার নদীর মুল অংশে হঠাৎ চর জেগে ওঠায় পানির গতি পথ পরিবর্তন হয়ে খরস্রোত সরাসরি তীর সংরক্ষণ প্রকল্পে আঘাত করছে।





