রাজনীতি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নৌকার মাঝি হলেন কৃষিবিদ মোস্তাফিজার রহমান যাদু

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১৬ এপ্রিল, ২০২৩

আবু হাসান শেখ, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি:
নৌকার মাঝি হলেন তরুণ নেতা কৃষিবিদ মোস্তাফিজার রহমান যাদু। গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’র স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় নৌকার টিকেট এ প্রার্থীর হাতে দেয়া হয়।। তিনি হেভিয়েট নেতাদের পরাজিত করে নৌকার প্রার্থীতা পেয়েছেন। তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা। ছাত্রজীবনে রাজনীতি হাতেকরি শুরু। তারুণ্যে ভর করে নৌকার এ প্রার্থী আওয়ামী লীগকে এ ইউনিয়নটি উপহার দিবে এমনটিই ভাবছে আওয়ামী লীগ নেতাকমীর্, সাধারণ জনগণ ও ভোটাররা।
গত ১২ এপ্রিল চাঁদখানা ইউনিয়নে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থী বাছাইয়ে বর্ধিত সভা করা হয়। সে সভাটিতে সাবেক চেয়ারম্যান, গতবারের প্রতিদন্দ্বী প্রার্থী, তরুণ নেতা কৃষিবিদ মোস্তাফিজার রহমান যাদুসহ ৮ জনের নাম উঠে আসে। স্থানীয়ভাবে প্রার্থী মনোনয়ন বোর্ড দু’জন মনোনয়ন প্রত্যাশী গতবার বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাদের নাম কেটে ৬ জনের নামের তালিকা কেন্দ্রে পাঠান। শনিবার গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’র স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভা হয়। সভায় সিটি কপোর্রেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। এ সভায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ আস্থা রাখেন এ তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা কৃষিবিদ মোস্তাফিজার রহমান যাদুকে। ফলে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা উপ—নির্বাচনে তাকে নৌকা মার্কা দেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি’র মাধ্যমে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেন।
এ কৃষিবিদ, শিক্ষিত ব্যক্তি নৌকার মাঝি হওয়ায় স্যোসাল মিডিয়াসহ এলাকায় এ প্রার্থীকে অভিনন্দন জানাচ্ছে অনেকে। এ তরুণ নেতাকে ভোটার—সমর্থকরা এগিয়ে যাওয়ার সাহস যোগাচ্ছে। ভোটার—সমর্থকরা বলছেন— তারুণ্যে ভর করে মোস্তাফিজার রহমান নৌকার টিকিট পেয়েছে। তার হাত ধরেই এ পরিষদটি নৌকার হবে।
নৌকার মাঝি, নৌকা প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষিবিদ মোস্তাফিজার রহমান যাদু’র সাথে কথা হলে তিনি বলেন— জননেত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ আমার উপর আস্থা রেখে আমাকে নৌকা মার্কা দিয়েছে। এ ইউনিয়ন পরিষদের ২৫ মে’র ভোটে জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে ইনশাআল্লাহ। জনগণের ভোটে আমি পরিষদটি আমার দলকে উপহার দিতে চাই। আমি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সাথেই আছি। আমি আমার ইউনিয়নের জনগণের সেবক হয়ে থাকতে চাই।
এ পরিষদটিতে দু’ বার ধরে জাপা নেতা হাফিজার রহমান হাফি চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি মৃত্যু বরণ করলে এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদটি শুন্য হয়। এ শুন্য পদে উপ—নির্বাচনে ভোট হবে ২৫ মে। এ ইউনিয়নে ভোটার রয়েছে ২৩ হাজার ৪ শ’ ৭৭। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার— ১২ হাজার ১ শ’ ৭৯ অন্যদিকে মহিলা ভোটার ১১ হাজার ২ শ’ ৯৮।#

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads