নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের সেরা ৮ প্রকল্প

টানা ৩৬ ঘণ্টার হ্যাকাথন শেষে বাছাই করা হয় সেরা ৮ প্রকল্প

সংগৃহীত ছবি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের সেরা ৮ প্রকল্প

  • প্রকাশিত ২৮ অক্টোবর, ২০১৮

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যারোনটিক অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) আয়োজিত বিশ্বের সর্ববৃহৎ হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৮-তে যাচ্ছে বাংলাদেশের আটটি প্রকল্প। টানা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) উদ্যোগে বেসিস স্টুডেন্টস ফোরামের সহযোগিতায় দেশে আয়োজিত নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ এবং কুমিল্লা শহর থেকে দুই হাজারেরও বেশি প্রকল্প জমা পড়ে এবারের প্রতিযোগিতায়।

সেখান থেকে শীর্ষ ৪০টি প্রকল্পকে নিয়ে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি মিলনায়তনে টানা ৩৬ ঘণ্টার হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকে বাছাই করা হয় সেরা ৮ প্রকল্প। হ্যাকাথনের পর ২০ অক্টোবর এই আটটি প্রকল্পের নাম ঘোষণা এবং তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে মনোনীত এ প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত নিয়ে বাংলাদেশের খবরের এ সপ্তাহের আয়োজন। বিস্তারিত জানাচ্ছেন এম রেজাউল করিম

 

ঢাকা বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ‘গেম চেঞ্জার’

জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের দল গেম চেঞ্জারের প্রধান মেহেদী হাসান অপু বলেন, আমাদের দলের সবাই চ্যালেঞ্জের জন্য একটি সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, যেখানে চ্যালেঞ্জটি ছিল ‘ওয়াইল্ড ফায়ার’ শনাক্তকরণ, যাচাই এবং ট্র্যাকিং করার জন্য একটি টুল বা সফটওয়্যার বানানো। এ ছাড়া দুর্ঘটনার পূর্বেই আশপাশের মানুষ এবং অগ্নিনির্বাপক বিভাগকে অবহিত করাও ছিল এর অংশ। এই চ্যালেঞ্জে সমাধান হিসেবে একটি স্মার্ট ফেব্রিক (কাপড়) তৈরি করেছি যা আশপাশের রিয়েল-টাইম ডাটা একটি ক্লাউড সার্ভারের মাধ্যমে নাসার ডাটাবেজে পাঠাতে পারে এবং তারা যদি ডাটা যাচাই করে তাদের স্যাটেলাইট ডাটার সঙ্গে ক্রসচেক করে বিপজ্জনক মনে করে তবে আমাদের স্মার্ট ফেব্রিকের মাধ্যমেই ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এবং জনগণকে অবহিত করতে সক্ষম হবে।

ঢাকা বিভাগের রানার আপ ‘প্ল্যানেট কিট’

প্ল্যানেট কিট হচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের একটি গবেষণা দল। এ দলের প্রধান রাজিন বিন ইশা জানান, আমাদের দলটিতে সফটওয়্যার, ইলেকট্রনিকস, মাইক্রোবায়োলজি, ত্রিমাত্রিক ডিজাইনিং (থ্রিডি), ভিডিও এডিটিং বিষয়ে দক্ষ চারজন সদস্য রয়েছে যারা কয়েক বছর ধরে মহাকাশ সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করে আসছে। সম্প্রতি আমরা ইউআরসি নামক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি। এ ছাড়া ব্র্যাক অন্বেষার উপগ্রহ নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ ল্যাবের সঙ্গেও বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলাম।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দলের সদস্যদের মধ্যে একটি সমন্বয় রয়েছে। যার ফলে আমরা যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধান করতে পারি। এবার আমরা একটি পোর্টেবল ডিভাইস ‘প্ল্যানেট কিট’ তৈরি করেছি যা মঙ্গল গ্রহে বেঁচে থাকার জন্য সহায়তা করবে। আমরা এবার এ প্রকল্পটি নাসা স্পেস অ্যাপ চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়েছি।

মঙ্গলে উপনিবেশ স্থাপনের সময়বাস্থান অনুসন্ধানের সময় মানুষ বিষাক্ত পরিবেশের মুখোমুখি হতে পারে, অক্সিডাইজ গ্রাউন্ডে খাদ্য উৎপাদন করতে হতে পারে, পানির অভাব, আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত বিপজ্জনক এক্সপোজার, ভ্রমণের সময় দিক হারিয়ে যাওয়া, জৈব পদার্থের অস্তিত্ব শনাক্তকরণ, একাধিক মিশনের জন্য বড় সরঞ্জাম ইত্যাদি। আমাদের লক্ষ্য একটি পোর্টেবল ডিভাইস নির্মাণ করা যা এ সমস্যার একক সমাধান করতে পারে।

প্ল্যানেট কিট পরিবেশের ডাটা প্রদান, প্রাথমিক স্তরের রাসায়নিক পরীক্ষা, জরুরি সতর্কতা এবং বিপত্তি থেকে সহায়তা, মাটির গঠন মূল্যায়ন এবং ক্ষুদ্র পরিসীমায় চাষ, পানীয়যোগ্য পানি সংগ্রহ, পথ পরিকল্পনা, থ্রিডি ভার্চুয়ালাইজেশন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করবে। এই ডিভাইসটি নিকট ভবিষ্যতে ঘন ঘন মহাকাশ যাত্রা, স্থান ভ্রমণের খরচ হ্রাস, মূল্যবান গবেষণা তথ্য সংরক্ষণ, এমনকি পৃথিবীতে বিভিন্ন গবেষণার কাজে সাহায্য করবে।

এ প্রোটোটাইপ পোর্টেবল ডিভাইসের মধ্যে রয়েছে সেন্সরবক্স, ড্রিলিং মডিউল, পানি পরিস্রাবণ যন্ত্র, প্রাথমিক স্তরের পরীক্ষাগার সরঞ্জাম, স্পেকট্রোফোটো মিটার, স্ক্রিনে ডাটা ডিসপ্লের জন্য নিজস্ব সফটওয়্যার, ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপ, ক্যামেরা, নমুনা সংগ্রহের জন্য ড্রিল, জরুরি জল পরিশোধন যন্ত্র, জরুরি অক্সিজেন ব্যাকআপ, অফলাইন মানচিত্র, অফলাইন ট্র্যাক রেকর্ডিং, একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট, ব্যাটারি এবং সৌর প্যানেল। এ সেন্সর বক্সে বিভিন্ন গ্যাস ডিটেক্টর রয়েছে যার মধ্যে আছে কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং বায়ুর আর্দ্রতা, তাপমাত্রা ও চাপ। মাটি পরীক্ষা এবং জৈব স্বাক্ষর শনাক্ত করার জন্য এটিতে আছে মাটির আর্দ্রতা, মাটির তাপমাত্রা, মাটির পিএইচ মাপার জন্য একটি প্রব। আরো আছে বিকিরণ সেন্সর, আলোর তীব্রতা মাপার সেন্সর, মাইক্রোস্কোপিক মূল্যায়ন, স্পেকট্রোফটো মিটার আর এন্ডোস্কোপিক ক্যামেরা।

এ যন্ত্রটি সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, আমাদের এ ডিভাইস গ্রহ অনুসন্ধান এবং জীবন সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। ডিভাইসটি এমনভাবে তৈরি করেছি যাতে এটি যেকোনো পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে। তবে এই লক্ষ্য অর্জন এবং উন্নয়নের জন্য আমাদের আরো উন্নত পরীক্ষাগার প্রয়োজন। এ ছাড়া পণ্য পরীক্ষার জন্য আমাদের একটি সিমুলেশন ল্যাব প্রয়োজন। আমাদের যন্ত্রটি সৌরজগতের বাইরে অন্বেষণ করার সুযোগ করে দেবে এবং স্পেসে সরাসরি মানব সংযোগ তৈরি করবে যা পূর্বে একটি নিছক অনুমান ছিল। মানব প্রজাতির বেঁচে থাকার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমদের মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে যাচ্ছে যা দূরবর্তী গ্রহগুলোয় পাওয়া সম্ভব। বিভিন্ন ইন্টারগ্যালাক্টিক পরিবর্তন এবং ঘটনা আমাদের গ্রহের ভাগ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বহন করে। এজন্য এই কিট মানবজাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ‘টিম কিউ’

টিম কিউয়ের দলপ্রধান ম্যাগনোলিয়া বিশ্বাস বলেন, আমাদের প্রকল্পের নাম ছিল ‘ড্রোন ট্রি প্ল্যান্টেশন’ অর্থাৎ ড্রোনের সাহায্যে বীজ বপন করা। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় যেখানে মানুষের যাওয়া কষ্টসাধ্য সেখানে ড্রোনের মাধ্যমে বীজ বপন করা। প্রথমে যে এলাকাটিতে আমরা বীজ বপন করতে চাইছি সেখানে ড্রোনের সাহায্যে স্ক্যানিং করে ম্যাপিং করব। তারপর ড্রোনের সাহায্যে সে এলাকাটির আর্দ্রতা পরীক্ষা করব, তারপর সে এলাকাটির মাটি উর্বর কি না জানার জন্য আমরা ড্রোনের সাহায্যে মাটি পরীক্ষা করব। যদি পরীক্ষার ফলাফল অনুকূলে থাকে তাহলে আমরা সেখানে ড্রোনের সাহায্যে বীজ ছিটিয়ে দেব। যে বীজগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে বেড়ে উঠতে পারে শুধু সে ধরনের বীজ ছিটিয়ে দেব।

রানার আপ ‘টিম মাত্রা’

চট্টগ্রাম বিভাগের রানার আপ হওয়া টিম মাত্রার প্রধান নাজমুল ইসলাম নিজেদের প্রকল্প নিয়ে বলেন, আমাদের গেমটি একটি ত্রিমাত্রিক গেম। এ গেমের মাধ্যমে প্লেয়ার পৃথিবীর দুই মেরু, উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুতে ভার্চুয়ালি ভ্রমণ করতে পারবেন।

প্লেয়ার মেরু অঞ্চলে ইচ্ছামতো ঘুরতে পারবে এবং বিভিন্ন কাজ করতে পারবে। প্লেয়ার খাবার সংগ্রহ করতে পারবে। শুকনো কাঠ সংগ্রহ করে আগুন জ্বালাতে পারবে এবং রাতে তাঁবুতে বিশ্রাম নিতে পারবে।

গেমের ভেতরের জগৎ বাস্তবের মতোই হবে। ফলে প্লেয়ার বাস্তব জগতের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে। গেমের মাধ্যমে প্লেয়ার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বরফ গলনের প্রভাব উপলব্ধি করতে পারবেন। এ ছাড়া গেমটিতে মাল্টিপ্লেয়ারে অন্যদের সঙ্গে অনলাইনে খেলার সুবিধাও রয়েছে।

কুমিল্লা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন ‘টিম ফোটন’

গবেষণায় সাহায্যকারী রোবট বানিয়ে কুমিল্লা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম ফোটন। দলটির প্রধান জাহিদুল ইসলাম রাহাত বলেন, ‘এই রোবটটি রাসায়নিক বা বিস্ফোরক নিয়ে গবেষণা এবং ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করার সময় গবেষকদের অঙ্গহানি বা মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করবে। গবেষক তার ইচ্ছেমতো রোবটটি নিয়ন্ত্রণ করে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কোনো ঝুঁকি ছাড়া যেকোনো ধরনের গবেষণা করতে পারবে। এই রোবটটি গবেষকদের মৃত্যুর হার কমাবে। আমরা গবেষকদের গবেষণা সহজ করার জন্য ইআরপি সফটওয়্যার বানাচ্ছি।

কুমিল্লা বিভাগের রানার আপ ‘মেটাকোডার্স’

দলটির প্রধান শাখাওয়াত হোসাইন শাহীন তাদের প্রকল্প নিয়ে বলেন, নাসা এবং অন্যান্য স্পেস এজেন্সি প্রায় প্রত্যেক সপ্তাহে একটি করে রকেট মহাকাশে নিক্ষেপ করছে। কিন্তু কয়টার সম্পর্কে আমরা জানি? নেক্সটফ্লাই একটি অ্যাপ যেখানে আমরা নাসা এবং অন্যান্য স্পেস এজেন্সির সকল নিক্ষেপণের সময়, কেন, কারা নিক্ষেপ করছে তার সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া থাকবে।

ব্যবহারকারী চাইলে ওই নিক্ষেপণের জন্য রিমাইন্ডার সেট করে রাখতে পারবেন এবং লাইভ স্ট্রিমিং করতে পারবেন। নিক্ষেপণের সর্বোচ্চ সংখ্যক তথ্য নিয়ে আর্টিকেল প্রকাশ করা হবে।

এই প্রকল্পে আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে নাসা এবং অন্যান্য এপিআই থেকে ডাটা নিয়ে আসা। আর যদি কোনো কারণে নিক্ষেপণ বাতিল হয়ে যায়, এটা সম্পর্কে ভালো বিশ্লেষণ প্রদান করা। 

রংপুর বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ‘এইচএসটিইউ মেট্রোয়েড’

অন্ধ মানুষদের রাস্তায় চলাচলের সুবিধার জন্য ‘আই অ্যাসিস্ট্যান্ট’ নামে প্রকল্পটি নিয়ে রংপুর বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এইচএসটিইউ মেট্রোয়েড। দলটির প্রধান শিকার আলী বলেন, দৃষ্টি শক্তিহীন মানুষ রাস্তায় চলতে গেলে বুঝতে পারে না কোনদিকে কী আছে, রাস্তার অবস্থা ভাঙা না ভালো আর কোথাও আটকে গেলে বা বিপদে পড়লে সাহায্য চাইতে পারে না অত সহজে। তাই এ তিনটি সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে এ প্রকল্পের মধ্যমে। যেখানে আমাদের ডিভাইসটি ব্যবহার করে অন্ধ মানুষ বুঝতে পারবে তার কোনদিকে বাধা বা কোনো বস্তু আছে, সঙ্গে তাদের সামনে রাস্তা ভাঙা কিংবা গর্ত আছে কি না তাও জানতে পারবে এবং তারা যদি কোনো বিপদে পড়ে বা আটকে যায় তাহলে ছোট্ট একটি কাজের মধ্যমে আগের থেকে ঠিক করা কয়েকজনের ফোনে নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে তাদের অবস্থানসহ।

সিলেট বিভাগের চ্যাম্পিয়ন ‘টিম অলিক’

দলটির প্রধান আবু সাকিব মাহদি বলেন, ‘লুনার ভি আর’ প্রজেক্টটি মূলত একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অ্যাপ্লিকেশন যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চাঁদে ভ্রমণের একটি অভিজ্ঞতা পাবেন। আমরা নাসা প্রদত্ত বিভিন্ন রিসোর্স থেকে থ্রিডি মডেল ও তথ্য সংগ্রহ করে, নাসা আপোলো ১১ মিশনের ল্যান্ডিং এরিয়া ভ্রমণ, চাঁদ থেকে সূর্যগ্রহণ দেখা এবং চাঁদকে একটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আবর্তন করা এই তিনটি ভিন্ন পরিবেশকে ভার্চুয়ালভাবে তৈরি করেছি। অ্যাপ্লিকেশনটির ব্যবহারকারী, লুনা নামের একজন ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের সহায়তায় আমাদের তৈরি ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে চলাফেরা এবং প্রতিক্রিয়া করতে পারবেন। স্বল্প খরচে সকল পরিসরে মহাজাগতিক এক্সপ্লোরেশনের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads