নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরের নলডাঙ্গায় সৌদি প্রবাসীরকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত তুহিন ব্যাপারীসহ চারজন অভিযুক্তকে গত দুই মাসেও গ্রেফতার না হওয়ায় আসামীদেও দ্রুত গ্রেফতার এবং মূল আসামীর ডিএনএ টেস্ট করাসহ শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার। (১৭ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১ টার দিকে নাটোর শহরের একটি রেস্তোরায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভেগী গৃহবধু এবং তার স্বজন হাজী আব্দুর রশীদ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাঁশিলা গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় মেম্বার মালেক ব্যাপারীরর ছেলে ও তার সহযোগীরা একই গ্রামের সৌদি প্রবাসীর ওই স্ত্রীকে জোরপূর্বক বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মাঠের মধ্যে সেচ পাম্পের পর্শে ধর্ষণ করে। এই ঘটনার পরের দিন গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর নলডাঙ্গা থানায় তুহিন ব্যাপারীসহ চারজন অভিযুক্তকে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ওই গৃহবধু। এঘটনার দুই মাস অতিবাহিত হলেও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেনি পুলিশ। অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় এই ঘটনার সুষ্ঠ বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। এসময় তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার, অভিযুক্ত তুহিনের ডিএনএ টেস্টের দাবি জানান তারা। এ সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গৃহবধূসহ তার শ^শুর দুলাল ব্যাপারী, চাচা শ^শুর আব্দুর রশিদ, কামাল ব্যাপারী, মোহাম্মদ আলী ব্যাপারী, শামসুল ব্যাপারী, শাহ আলম মন্ডল উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় মেম্বার ও প্রধান অভিযুক্তের বাবা মালেক ব্যাপারী জানান, দোষ করলে তার ছেলে করেছে আইন অনুযায়ী তার সাজা হবে। মেম্বার হিসাবে অপরাধীকে পলিশ খবর বা ধরিয়ে দেয়াই কাজ। কোন অপরাধীদের কে বাচাঁনো কাজ না। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলিম সরদার জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে।
নলডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মোনোরুজ্জামান জানান, তিনি মামলার বিষয় অবগত নয় তবে এমন ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হবে।





