নতুন রূপ পাচ্ছে রাজশাহীর পদ্মাপাড়

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

সারা দেশ

নতুন রূপ পাচ্ছে রাজশাহীর পদ্মাপাড়

  • রাজশাহী ব্যুরো
  • প্রকাশিত ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

রাজশাহীর পদ্মাপাড়ের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলমান রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে মহানগরীর উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র, লালনশাহ পার্ক। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি প্রকল্প চলমান রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পদ্মাপাড়ের উন্নয়ন কাজ পরির্দশন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। মন্নুজান স্কুল থেকে বড়কুটি হয়ে লালনশাহ পার্ক পর্যন্ত হেটে পদ্মাপাড়ের উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ পরির্দশন করেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন সিটি মেয়র।

জানা গেছে, পদ্মাপাড় রাজশাহী মহানগরীর অন্যতম উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র। পদ্মাপাড় সংলগ্ন দরগাপাড়ায় অবস্থিত হজরত শাহমখদুম রূপোষ (রহ.) মাজার শরিফ। পদ্মাপাড়ে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে লালনশাহ পার্ক। শাহমখদুম রূপোষ (রহ.) মাজার শরিফ ও পদ্মাপাড়ের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন ছুটে আছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য দর্শনার্থী। নগরবাসীর বিনোদনের জন্য নগরীর অন্যতম বিনোদন কেন্দ্রকে আরো আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করতে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন। বর্তমানে ২ কোটি ৮৮ লাখ টাকার উন্নয়ন কাজ চলমান আছে। কাজের আওতায় বাউন্ডারি ওয়াল, সৌন্দর্যবর্ধক গ্রিলদ্বারা বেষ্টিত রেলিং, ওয়াকওয়ে, দর্শনার্থীদের বসার বেঞ্চ, ক্যাফেটেরিয়া সংস্কার করা হচ্ছে। লালনশাহ বাঁধসংলগ্ন রাস্তাটি প্রশস্তকরণসহ ফুটপাত নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পদ্মা গার্ডেন সংলগ্ন ব্রিজ হতে শাহ মখদুম রূপোষ মাজার সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত ওয়াকওয়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইতোমধ্যে হজরত শাহ মখদুম (রহ.) মাজার সংলগ্ন এলাকায় একটি ও পদ্মা গার্ডেন সংলগ্ন এলাকায় আরেকটি ঝুলন্ত ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। ৯৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ওভার ব্রিজ দুটি ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। ব্রিজের সৌন্দর্যবর্ধনে করা হয়েছে নান্দনিক গ্রাফিটি। রং আর তুলির আঁচড়ে ওভারব্রিজ দুটিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নান্দনিকভাবে। পদ্মাপাড়ে আকর্ষণ বাড়াতে ইতোমধ্যে যুক্ত হয়েছে ২টি বিচ বাইক ও ১০টি বিচ চেয়ার। যা নগরবাসীর মধ্যে ইতোমধ্যে সাড়া ফেলে দিয়েছে। এছাড়া পদ্মা গার্ডেন থেকে লালনশাহ পার্ক পর্যন্ত পদ্মাপাড়ের ওয়াকওয়েতে ৪০টি পোলে এলইডি লাইট লাগানো হয়েছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এলইডি বাতিগুলো অটোলজিক কন্ট্রোলারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন-অফ হয়। আলোকায়নের কারণে রাতেও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা করতে পারছেন দর্শনার্থীরা। গত ২৫ ডিসেম্বর বিচ বাইক ও বিচ চেয়ারগুলো এবং ওয়াকওয়ে আলোকায়নের উদ্বোধন করেন রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। এরআগে ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে রাসিক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন পদ্মাপাড়ের ব্যাপক উন্নয়ন করেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads