জাতীয়

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা

নজরদারিতে থাকবে সোশ্যাল মিডিয়া

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ২৮ অক্টোবর, ২০২১

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া নজরদারি করা হবে। কোনো আইডিতে সন্দেহ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনিটরিং করবে। গতকাল বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষার নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকসূত্র জানায়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর এক সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া নজরদারি শুরু করা হবে। কেউ যেন প্রশ্নপত্র ফাঁস করা বা তার গুজব ছাড়াতে না পারে সেসব বিষয় মনিটরিং করা হবে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওপরও নজরদারি করা হবে। কোনো অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হলে সেটি বন্ধ করে খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি বসানো হবে। কোনো আইডি থেকে গুজব ছাড়ালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে কোনো আইডিতে সন্দেহ হলে তাকে নজরদাবির আওতায় আনা হবে। পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, এসএসসি-সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে শেষ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সভা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে কেউ যদি প্রশ্নফাঁস ও তার চেষ্টা করে অথবা এ ধরনের গুজব ছড়ায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আমাদের কঠোর নজরদাবি থাকবে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের পর প্রবেশ করতে দিলে নাম, রোল, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ একটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ট্রেজারি থেকে নির্দিষ্ট তারিখের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সব সেট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়ার জন্য নির্ধারিত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ডা. দীপু মনি বলেন, পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে প্রশ্নপত্রের সেট কোড সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

তিনি জানান, কেন্দ্র সচিব এমন ফোন ব্যবহার করতে পারবেন, যাতে ছবি তোলা যায় না। পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন, এমন কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় অভিভাবকরা এসে পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ভিড় জমান, এবার সেটি হতে দেওয়া যাবে না। পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে একা আসলে ভালো হয়। নতুবা অভিভাবক আসলেও একজন আসবেন। সন্তানকে কেন্দ্রের ভেতরে দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরে অপেক্ষা করতে হবে। কোনোভাবে গেটের সামনে ভিড় করা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিন ফুট দূরত্ব বাজায় রেখে শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে বসতে হবে। কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads