সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুই শিক্ষার্থীর ঝগড়াকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের অফিস ও সভা কক্ষে ব্যাপক ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা। হামলায় বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা মালা রানী সরকারসহ কমপক্ষে ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় ইব্রাহীম হোসেন (১৫) নামে ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এক ছাত্রকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ফারুক আহম্মেদ ও ওবায়দুল্লাহ নামে দুই জনকে স্থানীয় ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদেরকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে দিপু মিয়া ও টিপু মিয়া নামে দুই জনকে আটক করা হয়।
বিদ্যালয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে উপজেলার জয়শ্রী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএমভি ক্লাস চলাকালীন সময়ে ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ও বিদ্যালয় সংলগ্ন বাঘাউচ্চা গ্রামের আব্দুল ছাত্তারের ছেলে ইব্রাহীম হোসেনের সাথে বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ও একই গ্রামের বুলবুল মিয়ার ছেলে দিপু মিয়ার এসএমভিতে গান পরিবেশন নিয়ে বাক-বিতণ্ডা হয়। এরই এক ফাঁকে দিপু মিয়া মোবাইল ফোনে বিষয়টি তার বাবাসহ বড় ভাইকে জানায়। খবর পেয়ে তার বড় ভাই যাদু মিয়া ও টিপু মিয়ার নেতৃত্বে ১০-১২ জন লোক দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তারা বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে তারা দশম শ্রেণীর ছাত্র ইব্রাহীম হোসেনের উপর হামলা চালায়। এ সময় তারা বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও সভা কক্ষে হামলা চালিয়ে দরজা-জানালা ভাংচুর করে। হামলায় ধারালো অস্ত্র ও লাঠির আঘাতে ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা মালা রানী সরকারসহ কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়।
এ ব্যাপারে ধর্মপাশা থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে-সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দিপু মিয়া ও টিপু মিয়া নামে দুই ভাইকে আটক করি।





