ঢাকার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের গোড়াবন এলাকা থেকে আট জুয়াড়িকে আটক করে পুলিশ।
আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র সাত জুয়াড়ির প্রত্যেককে একমাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও জুয়া খেলা দেখার অপরাধে শেখ দুলালকে তিন হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
আটককৃতরা হলেন, মো. লিটন (২৩), আব্দুল করিম (৩৫), মো.স্বপন (৪৫), মো. রাসেল (৩৩), মো. শরীফ (৩৫), মো. সাগর (২৪)ও মো. জামাল (৩৫) ও শেখ দুলাল (৩৫)।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ের পর সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের তথ্য ও ছবি নিতে গেলে দোহার থানার ফুলতলা তদন্ত কেন্দ্রের এ এসআই মো. সাইমন সাংবাদিক শামীম আরমানকে ছবি নিতে বাধা প্রদান করে। বাধা দেওয়ার কারন জানতে চাইলে তিনি ওই সাংবাদিকের উপর চড়াও হয়ে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করেন। ছবি নেওয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি থাকলেও সে তাতে কোন কর্ণপাত করেননি। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এছাড়া গাজা সেবনের অপরাধে নারিশা সাতভিটা এলাকা থেকে মো. অভি নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। তাকেও ভ্রাম্যমাণ আদালতে একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জ্যেতি বিকাশ চন্দ্র।





