আসন্ন ৩০ জানুয়ারির তৃতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে শেষ সময় প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভাব্য সব প্রার্থীরা । ইতোমধ্যে ঘোষণা হয়েছে তফসিলও। মনোনয়ন কেনাও শুরু করে দিয়েছেন প্রার্থীরা।
পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থীতার জানান দিয়েছেন প্রায় ডজন খানেকের বেশি প্রার্থী। তবে সবাই আকর্ষণ নৌকার দিকে। কে হবে নৌকার মাঝি এই নিয়ে আলোচনা পুরো পৌরসভা জুড়েই। তবে তৃণমূলে বেশ জনপ্রিয় মুখ সাবেক পৌর মেয়র শ. ম. জয়নাল আবেদীন।
শ. ম. জয়নাল আবেদীন মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যোগ দেন আওয়ামী লীগে। তরুণ বয়সে দলের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বার বার নির্যাতিত হন তিনি। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দলের প্রতি ভালবাসা তাকে শক্তি যুগিয়েছে। আর এর প্রমাণ মিলেছে দীর্ঘ ২১ বছর সততার সাথে দুর্গাপুর ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। পরবতীতে ১৯৯৮ সাল নতুন করে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব গ্রহন করেন তিনি। এখানেও ২০১৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বৎসর দলের দায়িত্ব পালন করে দলেকে সু-পথে চালনা করেছেন তিনি। এর মাঝে ২০০১ সালের বিএনপি জামায়াত সহ চার দলীয় জোট সরকারের হাতে নির্যাতিত হয়ে বেশ কয়েক বার কারাবাসও বরণ করতে হয়ে তাকে।
২০১১ সালে দুর্গাপর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী হয়ে দলের তৃণমূলের বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে মেয়র প্রার্থী হন তিনি। মেয়র থাকাকালীন পৌর শহরের রাস্তা ঘাট নির্মাণ, পরিস্কার পরিছন্ন রাখা, জলবদ্ধতা রোধে ড্রেন নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজ সততা,নিষ্ঠা এবং বিশ্বস্থতার সাথে পরিচালনা করে পৌরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে বেশ ভূমিকা রেখেছে। একাদশ জাতীয় সংসদ র্নিবাচনে স্থানীয় সংসদ মানু মজুমদারের প্রচার প্রচারণায় বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলেছে তাকে। দিনে রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচারণাও চালিয়ে ছিলেন তিনি।
শুধু নেতৃত্ব দানে তিনি সীমাবদ্ধ নয় সামাজিক কর্মকাণ্ডের তার উল্লেখযোগ্যতা দেখা যায় সর্বত্র। জয়নাল জুবাইদা মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি থেকে শুরু করে দ্বীনি আলিম মাদ্রাসা, সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন তিনি।
শ. ম. জয়নাল আবেদীন বলেন, আমার কাছে আওয়ামী লীগ শুধু একমাত্র একটি রাজনৈতিক দল নয় এটি আমার কাছে একটি পরিবার আর দলের সকল নেতা কর্মীরা আমার পরিবারের সদস্য মনে করি। আমি মাদক, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনে এসেছি। এছাড়া দুর্গাপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাইপাস রোড, পৌর শহরের রাস্তার পাশেই পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পৌর শহরের রাস্তাঘাট উন্নয়ন, যানজট নিরসন, নিরাপত্তা পানির ব্যবস্থা, পৌর বাসস্ট্যান্ড, শুকনো মৌসুমে পৌরশহরের ধুলাবালি নিরসন, শব্দ দূষণ বন্ধ, ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা দাঁড়ানোর জন্য সঠিক ব্যবস্থা করো সহ দুর্গাপুর পৌরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে এই পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভায় রূপান্তরিত করতে চাই। যদি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে অত এলাকার মানুষের জন্য কাজ করা সুযোগ দেয় তাহলে সততার সাথে দায়িত্বও পালন করে যাবো।
এদিকে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা কর্মীরা বলছেন, দুর্গাপুর পৌরসভা একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এ আসনটিতে সত্য ও দক্ষ ব্যক্তি দ্বারা পরিচালিত হলে পৌরবাসী যেমন কাঙ্খিত সেবা পাবে তেমনি গুরুত্বপূর্ণ এই আসনটিও মর্যাদা রক্ষা হবে।





