জাতীয়

ঝুঁকিতে ঢাকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা

  • ''
  • প্রকাশিত ২১ এপ্রিল, ২০২৪

এম এ বাবর:

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল হিসাবে বিবেচনা করা হয় রাজধানী ঢাকাকে। আর দেশে ব্যবহৃত মোট বিদ্যুতের প্রায় এক চতুর্থাংশই ব্যবহার হয় এ শহরে। কিন্তু এ মহানগরীর নানা সংকটের সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাও চলছে অপরিকল্পিতভাবে। জোড়াতালি দিয়ে চলছে বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যবস্থা। সাবস্টেশনগুলোতে পর্যাপ্ত ট্রান্সফরমার ব্যাকআপ নেই। ফলে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুৎ সরবরায়ে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

পাওয়ার গ্রিড বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ঢাকার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার বড় সমস্যা অপর্যাপ্ত সাবস্টেশন। প্রতিটি পাওয়ার সাবস্টেশনে একটি স্ট্যান্ডবাই ট্রান্সফরমার থাকতে হবে, যেগুলো সাবস্টেশনের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়। কিন্তু ঢাকার বিতরণ নেটওয়ার্কে কোনো ব্যাকাআপ সাবস্টেশন নেই।

ঢাকায় ব্যবহৃত একটি পাওয়ার সাবস্টেশনে সাধারণত তিনটি ট্রান্সফরমার থাকে। ঢাকার দুটি বিদ্যুৎ পরিবেশক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার একটি ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) এবং অন্যটি ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিড (ডিপিডিসি)। ডেসকো ও ডিপিডিসির প্রকৌশলীরা জানান, এ সমস্ত সাব স্টেশনে ট্রান্সফরমার কোনো ব্যাকআপ বা স্ট্যান্ডবাই সমর্থন ছাড়াই এক সময়ে চলে। প্রায়শই, ট্রান্সফরমারগুলো তাদের ক্ষমতার ৬০ থেকে ৭০ শতাংশে ব্যবহার করা হয়। এতে বোঝায় যে সাবস্টেশনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। আর এ কারণেই বিশেষ করে খুব সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা মানুষের হস্তক্ষেপেও বিতরণ নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে।

যদিও ডিস্ট্রিবিউটরদের নতুন পাওয়ার সাবস্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, কিন্তু জমির স্বল্পতার কারণে তাদের কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে। কিছু প্রকল্পের জন্য বিশেষ এলাকায় জমি পাওয়া অসম্ভব বলে প্রমাণিত হওয়ার পরে তা বাতিল হয়ে গেছে।

ঢাকা বাংলাদেশের সমৃদ্ধিশীল অর্থনীতির পাওয়ার হাউস, যাকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যার চাহিদা ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট, যা দেশে ব্যবহৃত বিদ্যুতের প্রায় এক চতুর্থাংশ।

ঢাকার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ২০ মিলিয়নেরও বেশি জনসংখ্যাকে পরিবেশকরা বিদ্যুৎসেবা দিয়ে থাকে। যার মধ্যে আবাসিক এবং ব্যবসা উভয়ই অন্তর্ভুক্ত। ডেসকো ও ডিপিডিসির ১১ হাজার ৭২০ কিলোমিটার বিতরণ লাইন এবং ১৪৮টি সাবস্টেশন রয়েছে।

বুয়েটে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক আবদুল হাসিব চৌধুরী বলেন, ঢাকায় বিদ্যুতের বিতরণ ব্যবস্থা খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই, যার ফলে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে। বিশেষ করে বৃষ্টি হলেই এ সমস্যা হয়, যা বর্ষাকালে বেশি প্রতিফলিত হয়।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন যে, একটি স্বাস্থ্যকর বিতরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একটি সাবস্টেশনে তার চাহিদার বেশিরভাগ মেটাতে, স্ট্যান্ডবাই ক্ষমতাসহ একাধিক উৎস থেকে বিদ্যুৎ পেতে হয়। যদিও আদর্শ বিতরণ ব্যবস্থা অর্জন করা বাংলাদেশের জন্য কঠিন, তবে লোডশেডিং এবং বিশাল ওভার ক্যাপাসিটি উভয়ই কমাতে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহ নেটওয়ার্ক উন্নত করতে হবে।

বাংলাদেশের বর্তমান স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি, যার অর্ধেকেরও বেশি অলস রয়ে গেছে প্রধানত দুটি কারণে। যার জ্বালানি সংকট এবং দুর্বল বিদ্যুৎ সরবরাহের অবকাঠামো।

বিদ্যুৎ বিভ্রাট একটি নিত্যদিনের ঘটনা এবং শীত মৌসুমেও যখন বিদ্যুতের চাহিদা ১০ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায় তখনও এড়িয়ে যাওয়া যায় না। গুলশান এভিনিউতেও বিদ্যুৎ বিতরণ নেটওয়ার্ক বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতা বেশি প্রতিফলিত হয়।

গুলশান এভিনিউ হলো সেই সব এলাকার মধ্যে, যেখানে আবাসিক প্লটগুলোকে সম্প্রতি বাণিজ্যিক হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এতে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সম্প্রসারণের পথ খুলে দিয়েছে। গুলশান এভিনিউ গত এক দশকে দ্রুত অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে।

ডেসকোর কর্মকর্তরা আশা করছেন, সম্প্রতি সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ গুলশান এলাকায় ভবন নির্মাণে ১৫ তলা থেকে ৪৫ তলায় উচ্চতা ছাড়পত্র দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। এ কারণে গুলশান এলাকায় ভবন নির্মাণের গতি আরো বাড়বে। এ এলাকার বর্তমান ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। এর চাহিদা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত তিনটি পাওয়ার সাবস্টেশনের মাধ্যমে মেটানো হয়। ওই সাবস্টেশনে ৭০ শতাংশ ক্ষমতায় ট্রান্সফরমার চলছে।

ডেসকো কর্মকর্তারা শিগগিরই অ্যাভিনিউয়ের পূর্ব দিকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছেন। তারা আশঙ্কা করছেন যে এখানে একটি নতুন বিদ্যুৎ সাবস্টেশন স্থাপন না করলে, তারা নতুন গৃহস্থালিতে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন না।

ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাউসার আমীর আলী বলেন, সাবস্টেশন আমরা একটি কঠিন অবস্থায় আটকা পড়ে আছি। একটি সাবস্টেশনের জন্য প্রায় ১০ কাঠা জমি প্রয়োজন। গুলশানে প্রতি কাঠা জমির জন্য এক কোটি টাকা খরচ করতে প্রস্তুত। আমরা টাকা দিয়ে প্রস্তুত কিন্তু জায়গা পাইনি।

গত এক দশকে গুলশানে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গুলশানে এত বেশি নির্মাণকাজ হয়েছে যে, এর আকাশরেখা বদলে গেছে। ১৯৬০-এর দশকে, গুলশানে আবাসিক প্লটগুলো এক বা দুই বিঘার ওপর বসতি ছিল। যেখানে শুধুমাত্র দুই তলা ভবনের অনুমতি ছিল। ২০০৮ সাল পর্যন্ত উচ্চতা ছয় তলা হওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

২০০৮-এর পর, প্লটের আকার ১০ কাঠায় নামিয়ে আনা হয় এবং রাজউক ১০-১৫ তলা ভবন নির্মাণের অনুমতি দেয়। মিরপুর বেরিবাঁধ এলাকায় আরও একটি বহুতল ভবন ও বাণিজ্যিক স্থান নির্মাণের এলাকা হচ্ছে। নতুন পরিকাঠামোতে গড় বিদ্যুতের চাহিদা ৪০০ কিলোওয়াটসহ, এক তলা করাতকল প্রতিস্থাপন করছে যার প্রয়োজন মাত্র ১৫ হাজার ৪০০ কিলোওয়াট বা তার কম।

মিরপুর বেরিবাঁধ এলাকায় বর্তমানে কল্যাণপুর ও মিরপুরের সাবস্টেশনের মাধ্যমে সরবরাহকৃত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয়। আগামী কয়েক বছরে বিদ্যুতের চাহিদা ১৫ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেসকোর কর্মকর্তারা জানান, মিরপুরে বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের জন্য উপযুক্ত জায়গা খোঁজার জন্য তারা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একটি সাবস্টেশন নির্মাণের জন্য উপলব্ধ জায়গাগুলো হয় সরু রাস্তা দিয়ে অ্যাক্সেসযোগ্য বা কিছু এলাকায় জনবহুল। একটি সাবস্টেশন তৈরি করতে অন্তত পাঁচ বছরের প্রয়োজন, যাতে বোঝায় যে বর্তমান বণ্টন পরিস্থিতি শিগগিরই পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল, কল্যাণপুর, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, মহাখালী, উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণ খান, বারিধারা, বাড্ডা, টঙ্গী এবং পূর্বাচলকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ডেসকো বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য দায়ী। ১২ লাখেরও বেশি গ্রাহক এবং ১৫০০ মেগাওয়াট চাহিদাসম্পন্ন ডেসকোর ২৯২০-৪০৮৮ মেঘা ভোল্ট এম্পিয়ার ক্ষমতার ৬০টি সাবস্টেশন রয়েছে।

অন্যদিকে, ডিপিডিসিতে ২ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি চাহিদাসহ ১৭ লাখেরও বেশি গ্রাহকদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য ৮৮টি সাবস্টেশন রয়েছে। ডিপিডিসি ৪৬টি নতুন সাবস্টেশন নির্মাণ করছে, যার শহরের এলাকা দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। নতুন সাবস্টেশন স্থাপনের কাজ ২০২০ সালে শুরু হয়েছিল কিন্তু কোভিড-১৯ এবং জমি সমস্যার কারণে বিলম্বিত হয়েছিল, ডিপিডিসির কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

জমি সংকটের কারণে মহাখালীতে সাবস্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা ছেড়ে দিতে হয়েছে ডিপিডিসিকে। ডিপিডিসির সাবস্টেশনের প্রায় ৪০ শতাংশই ব্যক্তিগত জমিতে প্রতিষ্ঠিত।

ডিপিডিসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ নোমান বলেন, ‘অনেক কারণে বাংলাদেশে আদর্শ বিদ্যুৎ বণ্টন পরিস্থিতি রাখা কঠিন। আর্থিক অক্ষমতা এবং জমি সমস্যাই বড়। ডিপিডিসি-এর সাবস্টেশনগুলো ৫৫ শতাংশের বেশি কাজ করে। এখনও সাবস্টেশনে স্ট্যান্ডবাই ট্রান্সফরমার রাখার সামর্থ্য রাখে না।

ডিপিডিসির প্রকৌশলীরা আশা করছেন আগামী পাঁচ বছরে ধানমণ্ডিতে বিদ্যুতের চাহিদা ৩০ মেগাওয়াট থেকে বেড়ে ৪০ মেগাওয়াটে হবে। এলাকার বর্তমান চাহিদা গ্রিন রোড, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কাঁটাবন এলাকা থেকে সরবরাহ করা বিদ্যুৎ দিয়ে মেটানো হয়।

ধানমণ্ডি এলাকার জন্য প্রয়োজনীয় সাবস্টেশন নির্মাণের জন্য বিজ্ঞান গবেষণাগারের কাছে ডিপিডিসির সাড়ে চার কাঠা জমি থাকলেও জায়গা পর্যাপ্ত নয়। ডিপিডিসি সায়েন্স ল্যাব কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে তাদের কিছু জমি দেওয়ার জন্য যাতে সাবস্টেশনটি তৈরি করা যায়।

কারওয়ান বাজারের বিদ্যুতের চাহিদা বর্তমানে এর সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার সাবস্টেশনের মাধ্যমে পূরণ করা হয়। জায়গা সংকটের কারণে সেখানে ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ সাবস্টেশন করার ধারণা ছেড়ে দিয়েছে ডিপিডিসি।

কারওয়ান বাজারের বর্তমান চাহিদা ৬০ মেগাওয়াট, যা সংলগ্ন এলাকা থেকে পাওয়া যায় তার এক চতুর্থাংশ, কারণ বর্তমানে সেখানে থাকা সাবস্টেশনটি শুধুমাত্র ১৫ মেগাওয়াটই পরিচালনা করতে পারে। বাজারে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে চলেছে, সরকার পাইকারি বাজারের পরিবর্তে একটি বহুতল শপিং মল তৈরি করার পরিকল্পনা করছে।

এদিকে ঢাকায় বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ১৬ কোটি ডলার ঋণ দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বর্তমান বাজারদরে স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ১ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে এডিবি এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

এডিবির অর্থায়নে নেওয়া ঢাকা পাওয়ার সিস্টেম এক্সপানশন অ্যান্ড স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্টের আওতায় আটটি সাবস্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ১০০ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ কেবল স্থাপন করা হবে, যা হবে জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল। পাশাপাশি স্থাপন করা হবে ১৫০ কিলোমিটার ঝুলন্ত কেবল। ডেসকো এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ‘লো-কার্বন সোসাইটি’ গড়ার লক্ষ্যে ঢাকায় একটি কার্যকর বিদ্যুৎ বিতরণ পরিকল্পনা প্রণয়নে সরকারকে সহায়তা করবে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি (রেকর্ড অব ডিসকাশন) সই করেছে সংস্থাটি।

বিদ্যুৎ বিতরণ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে জাইকার এই ডিস্ট্রিবিউশন মাস্টার প্ল্যানটি ঢাকার জন্য একটি নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি, বিতরণ পরিকল্পনার উন্নতি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিতরণ সুবিধার উন্নয়নের জন্য কাজ করবে তারা।

জাইকার আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা ডেসকো ও ডিপিডিসির সাথে এই পরিকল্পনা নির্মাণে ৩৬ মাস একসাথে কাজ করবে। এই সময়ে তারা বিতরণ ব্যবস্থার পরিকল্পনা, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা উন্নত করতে সহায়তা প্রদান করবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads