জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী বিভাগের কর্মচারী আবুল হোসেন ভূয়া সনদ ব্যবহার করে কাঠ মিস্ত্রীর হেলপার থেকে সিনিয়র মিস্ত্রি পদে পদন্নোতি পেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, মোঃ আবুল হোসেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী বিভাগে ১৯৮৫ সালে ৮ম শ্রেনীর সনদ নিয়ে কাঠ মিস্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন। পরে ২০১৭ সালে এস এস সি'র একটি ভূয়া সনদ দেখিয়ে সিনিয়র মিস্ত্রি পদে পদন্নোতি গ্রহণ করেন। যে ভুয়া সনদ ব্যবহার করে পদোন্নতি পেয়েছেন, তার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ২৪৬৮২/১৯৭৯ রোল নম্বর ৬৭৩১ যেখানে তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা যায়, উল্লেখিত সনদের তথ্যে সব ঠিক থাকলেও তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণের জায়গায় হবে অকৃতকার্য। যা তিনি সুকৌশলে প্রশাসনের দৃষ্টি এড়িয়ে প্রতারণা করে আসছেন। এছাড়া তিনি রাজনৈতিকভাবে পাথালিয়া ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।
এবিষয়ে প্রকৌশলী বিভাগের প্রধান শরিফ মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেন, অভিযুক্ত আবুল যদি ভূয়া সনদ দিয়ে চাকুরী নিয়ে থাকেন তাহলে এটি প্রতারণা করেছেন। এর জন্য উনি ওনার চাকুরী হারাবেন।
এবিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ বরাবর আবুলের বিষয়ে লিখিত তথ্য জানতে চেয়েও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করতে চাইলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে জানান।





