চীন থেকে ৩১২ নাগরিক ফেরাতে ব্যয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ

চীন থেকে ৩১২ নাগরিক ফেরাতে ব্যয় প্রায় আড়াই কোটি টাকা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

করোনা ভাইরাস উপদ্রুত চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ৩১২ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিমান পরিবহন ব্যয় বাবদ ২ কোটি ৩০ লাখ টাকা খরচ করেছে বাংলাদেশ সরকার। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ তারিখে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথম করোনা ভাইরাস দেখা দেয়। গত শনিবার তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

প্রথম দফায় প্রবাসীদের ফেরাতে উদ্যোগ নিলেও চীনের অনাগ্রহের কারণে সম্ভব হয়নি। সরকারের ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতায় পরে তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।

চীনে বসবাসরত মানুষের মাঝে রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় উহান শহরটিকে অবরুদ্ধ করে দেয় চীন।

পরিপ্রেক্ষিতে, চীনের হুবেই প্রদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায়নরত বাংলাদেশী ছাত্র-ছাত্রীগণ সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়লে চীনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহৃদয়তার সাথে দ্রুত তারে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে আটকে পরা বাংলাদেশী নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে চীনে বিশেষ বিমান প্রেরণ করা হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ "রেসকিউ ফেরি ফ্লাইট বিজি-৭০০২" শনিবার দুপুরে ৩১২ জন বাংদেশিকে নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

করোনা ভাইরাস সংক্রামক হওয়া এবং তাতে আক্রান্ত ব্যক্তির উপসর্গ দেখা দিতে ১৪ দিন প্রয়োজন হয়। সেই কারণে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ধর্ম মন্ত্রণালয় রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে চীনের উহান থেকে ফেরত ৩১২ জন বাংলাদেশীর আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বর্তমানে তাদের সেখানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই ৩১২ জন বাংলািেশর সার্বক্ষণিক যত্ন গ্রহণ করছে। তাদের প্রয়োজনীয় সকল কিছু নিয়মিত সরবরাহ করাসহ তাদের বিনোদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ডাক্তাররা তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাসহ সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধান করছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads