কক্সবাজারের চকরিয়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের জেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ বদরীকে (৫৫) পিটিয়ে জখম করেছে শিবিরের কর্মীরা।
গতকাল বুধবার বেলা ১২টার দিকে বদরখালী বাজারে একটি ওষুধের দোকানে তার ওপর এ হামলা চালানো হয়।
আহত ইউসুফ বদরী বদরখালী ইউনিয়নের ছনুয়াপাড়ার মো. নুরুদ্দীনের ছেলে ও চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার চরন্দীপ রজভিয়া ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক। তিনি কক্সবাজার উত্তর জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সভাপতির দায়িত্বেও আছেন।
আহত ইউসুফ বদরী বলেন, সকালে বদরখালী সমিতি থেকে আমাদের লবণ চাষের জমি লাগিয়ত বাবদ পাওনা টাকা নিয়ে বদরখালী বাজারের একটি দোকানে বসি। এসময় অতর্কিতভাবে ২০-২৫ জন যুবক লাঠি ও লোহার রড় নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা আমার পকেটে থাকা ৩৫ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। হামলা চালিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
তিনি আরো বলেন, গত ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে গত জুমার দিন আলোচনা সভায় বদরখালী ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ আবুল বশর বক্তব্যে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন। পরে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবীর একটি অনুষ্ঠানে কোরআন হাদিসের ব্যাখা দিয়ে এ বিষয়ে বুঝিয়ে দেন মাওলানা ইউসুফ বদরী। এর জের ধরে মাওলানা আবুল বশরের ছেলে কুতুব উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল যুবক হামলা চালায় বলে তিনি জানান। হামলাকারী সবাই বদরখালী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও শিবিরের কর্মী বলে তিনি দারি করেন।
এদিকে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের জেলা সভপাতি মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ বদরীর ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবি করেন কক্সবাজার উত্তর জেলা ইসলামী ছাত্র সেনার আহবায়ক মোশারফ আলী। অন্যথায় চট্টগ্রাম বিভাগে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলেও তিনি জানান।
চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. জুয়েল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।





