ঈদ শেষে এবার কর্মস্থলে ফিরছেন কর্মমুখী মানুষ। তাই চাপ কিছুটা বাড়ছে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে। তবে চাপ বাড়লেও নদী পার হতে কোন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছেনা তাদের।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৬ টি ফেরি যানবাহনসহ যাত্রী পারাপার করায় তেমন কোন ভোগান্তি নেই এখানে।
আজ সোমবার (১৭ মে) দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকা ঘুড়ে দেখা যায়, সকাল থেকে কিছুটা চাপ রয়েছে মানুষের। তবে সেটা স্বাভাবিক। ঘাটে আসার পর দ্রুতই তারা ফেরির দেখা পাচ্ছে এমনকি ভোগান্তি ছাড়াই নদী পার হয়ে ছুটি শেষে সকলের গন্তব্যে পৌছাচ্ছে।
যাত্রীরা ফেরির দেখা পেলেও তাদের মধ্যে নেই কোন স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব মানছেনা কেউ। একে অপরের সাথে গাদাগাদি করেই ফেরিতে পার হচ্ছে যাত্রীরা। স্বাস্থ্যবিধি নজরদারি রাখতে ঘাট এলাকায় প্রশাসনেরও দেখা যায়নি।
যাত্রী ফাতেমা আক্তার বলেন, ঈদের আগে যেভাবে বাড়ি এসেছিলাম তা ছিল খুবই কষ্টের। কিন্তু এখন ঢাকা ফেরার সময় তেমন একটা ভোগান্তি পোহাতে হয়নি। ঘাটে এসেই ফেরিতে উঠে পড়েছি। কিন্তুু দূরপাল্লার যানবাহন না থাকায় বাড়তি ভাড়া দিয়ে আমাদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারি মহা-ব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, ঈদ শেষে মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত ঘাট এলাকা স্বাভাবিক রয়েছে। যাত্রীদের জনস্রোত বা চাপ তেমন একটা নেই। সকাল থেকে কিছুটা যাত্রীর চাপ বাড়লেও ঘাটে কোন ভোগান্তি নেই।
তিনি আরো বলেন, জরুরি সেবা কাঁচা মাল বাহী ট্রাক, আ্যাম্বুলেন্স সহ যাত্রী পারাপারে কোন ভোগান্তি যেন না হয় সেজন্য বর্তমানে এই নৌরুটে ১৬টি ফেরি চলছে।





