ঘন কুয়াশারা কারণে দীর্ঘ ৭ ঘন্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঘাটে আটকে পড়ে শীতের রাতে শত শত যাত্রী সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অফিস সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০ টা থেকে আজ শুক্রবার ভোর ৫টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশার কারনে নৌ-পথ দৃষ্টি গোচর না হওয়ায় দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ ফেরি চলাচল বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়। ফলে, ৮ শতাধিক যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অফিসের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম মোঃ জিল্লুর রহমান জানান, উল্লেখিত সময় ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় এ নৌ-রুটে ছোট-বড় ১৫টি ফেরি দিয়ে অপেক্ষমান বিপুল সংখ্যক যানবাহন পারাপার করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস-কোচ, প্রাইভেট-মাইক্রো ও এম্বুলেন্স পারারার করা হচ্ছে।
এদিকে, পাটিুরিয়া প্রান্তে টার্মিনাল ছাড়িয়ে যানবাহনের সারি ঘাট সংযোগ সড়কের নবগ্রাম বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত গড়িয়েছে। রাতে আসা গাড়ি পার হতে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে। সকালে আসা গাড়ি সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিল। তীব্র শীতের মধ্যে দীর্ঘ সময় ঘাটে আটকে থেকে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ে শত শত যাত্রী । বিশেষ করে নারী ও শিশু যাত্রীদের দুর্ভোগের সীমা ছিল না।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ভোর ৫টায় কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। স্বল্প সংখ্যক ফেরি দিয়ে বিপুল সংখ্যক যানবাহন পার করতে দীর্ঘ সময় লাগছে। এছাড়া ঘাটে আসা মালবাহী ট্রাকগুলোকে ঘাট মুখে ঢুকতে বাঁধা দেয়া হচ্ছে যানজট এড়াতে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথলী-পাটুরিয়া ঘাট সংযোগ সড়কের মোড় থেকে ট্রাকগুলোকে আটকিয়ে আরিচা ঘাট পর্যন্ত লাইনে দাঁড় করিয়ে অপেক্ষায় রাখা হয়। ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রাকের সারি থাকায় এ সড়কেও যানবাহনের জট সৃষ্টি হয়। ফলে, যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়ে। দৌলতদিয়া প্রান্তেও অনুরুপ অবস্থা বিরাজ করছে।
শুক্রবার বিকাল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উভয়ঘাটে ৮ শতাধিক যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় রয়েছে।





