দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানাধীন তেঘরিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ইকুরিয়া বেয়ারা এলাকায় থেকে অজ্ঞাতনামা শিশু (০৯) এর লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
আজ শনিবার দুপুরে পুলিশ নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার শেষে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। খবর শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কেরানীগঞ্জ পুলিশের সার্কেল এএসপি রামানন্দ সরকার ও ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হাসান সরদার।
জানাযায়, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ইকুরিয়া বেয়ারা চোকিদার টাগার এলাকায় বিলের মধ্যে অজ্ঞাতনামা এক মেয়ে শিশুর লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী। পড়ে তারা বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে ইউপি সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পড়ে তিনি থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়।
স্থানীয় তেঘরিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মোঃ সেলিম জানান, শনিবার দুপুর ১২টার সময় এলাকার লোকজনের মুখে সংবাদ জেনে আমি ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে আশপাশের লোকজনকে ডেকে লাশটি দেখাই। কেউ লাশটি চিনতে পারেনি। আমার ধারনা হচ্ছে মেয়ে শিশুটিকে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা অন্যাত্র থেকে এনে ধর্ষনের পর স্বাষরোধ করে হত্যার পর লাশ রেখে পালিয়ে যায়।
দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার এস আই সাক্রাতুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে মেয়ে শিশুটির লাম উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। মেয়েটির বয়স আনুমানিক ৯ বছর হবে। পড়নে টিয়া রংয়ের জামা ও খয়েরি রংয়ের সেলোয়ার পরিহিতছি। লাশের পাশে একটি বিস্কুট কালারের শার্ট পাওয়া গেছে। শার্ট হয়তো ধর্ষকের বা হত্যাকারীর হতে পারে।
এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হাসান সরদার বলেন, খবর শুনে আমি ঘটনাস্থলে এসে নিহত অজ্ঞাত নামা শিশুর লাশ দেখি। লাশ দেখার পর ধারনা করা হচ্ছে শিশুটিকে অন্যাত্র থেকে কোন কিছুর প্রলোভন দেখিয়ে উক্তস্থানে এনে ধর্ষনের পর হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়না তদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত শিওর হয়ে কিছুই বলা যাচ্ছে না। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা দেয়ার চেষ্টা করবো।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অজ্ঞাত নামা নিহত শিশুর পরিচয় পাওয়া যায়নি।





