সারা দেশ

কুমারখালীর পৌর মেয়রসহ ২২ জনের নামে দুদকের মামলা, কুষ্টিয়া পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে চিঠি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ১১ মার্চ, ২০২৩

আকরামুজ্জামান আরিফ, কুষ্টিয়া:
কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সামছুজ্জামান অরুনসহ ২২ জনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বাদী হয়ে এ মামলা করেন। অপর দিকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুনীর্তির অভিযোগ এনে কুষ্টিয়া পৌর মেয়রকে চিঠি দিয়েছে দুদক।
কুমারখালী পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে মামলায় অপরাধমূলক অসদাচরণ করে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ডপত্র সৃজন এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১০, ২০১৩ ও ২০১৮ এর বিধিবিধান এবং সরকারি প্রজ্ঞাপনের নিয়ম ভঙ্গ করে কুষ্টিয়ার কুমারখালী সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষক/কর্মচারী পদে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন — কুমারখালী সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাঃ আবুল কাশেম, শিক্ষক প্রতিনিধি ও ট্রেড ইন্সট্রাক্টর ভোকেশনাল শাখার মোঃ আব্দুস সাত্তার, সহকারী শিক্ষক (গণিত) মোঃ খলিলুর রহমান, সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) আসমা বেগম মালা, সহকারী শিক্ষক (ব্যবসায় শিক্ষা) এস এম আতি বিন বাপ্পী, সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) কুতুবুল আলম, সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) মনিরা পারভিন, সহকারী শিক্ষক (জীববিজ্ঞান) লুৎফুন নাহার লাবনী, সহকারী শিক্ষক (ভৌতবিজ্ঞান) শেখ মোঃ সেলিম রেজা, কম্পিউটার ডেমোনেস্টে্রটর (ভোকেশনাল শাখা) সাম্মী আক্তার, সহকারী শিক্ষক (ভৌতবিজ্ঞান) আব্দুল্লাহ মোহাম্মদী, সহকারী শিক্ষক (ইসলাম শিক্ষা) আমিরুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক (সমাজবিজ্ঞান) মোঃ শহিদুল ইসলাম, নিম্মমান সহকারী কম্পিউটার অপারেটর বাসনা রানী কর্মকার, আয়া মোছঃ রূপালী খাতুন, পরিছন্নতা কর্মী সনজিদ কুমার বাঁশফর, নৈশ্য প্রহরী মোঃ নাসিম হোসেন, অফিস সহায়ক (পিয়ন) মোঃ আলমগীর হোসেন, দারোয়ান মোঃ আমিরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ল্যাব অ্যাসিসট্যান্ট মোছাঃ খাদিজাতুল কোবরা ও কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামলার বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাঃ আবুল কাশেম বলেন, আমার নামে মামলা হয়েছে কিনা জানি না। এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।
কুমারখালী পৌরসভার মেয়র মো. সামছুজ্জামান অরুন বলেন, আমি কোনো অনিয়ম দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত না। দুদক মামলা করেছে, তারা তদন্ত করুক।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বলেন, মামলা হয়েছে। আইনগতভাবে কার্যক্রম চলবে।
অপর দিকে কুষ্টিয়া মেয়রের অনিয়ম ও দুণীর্তির মাধ্যমে পৌরসভার আদায়কৃত অর্থ ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুণীর্তি দমন কমিশন (দুদক)। এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া পৌর মেয়র আনোয়ার আলী বরাবর চিঠি প্রেরণ করেছে দুনীর্তি দমন কমিশন কুষ্টিয়া সার্কেল। জানা যায়, ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ পূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগটির সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে আগামী ১৩ মার্চ ২০২৩ তারিখের মধ্যে ৯টি বিষয়ের জবাব চেয়েছে দুণীর্তি দমন কমিশন কুষ্টিয়া অফিস। দুদকের উপপরিচালক ও এ বিষয়ের অনুসন্ধান কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম মোড়ল কুষ্টিয়া পৌর মেয়রকে চিঠি প্রেরন করেছেন।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads