কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা ও ইনানীতে (রাত্রীকালীন বাজার) মার্কেট স্থাপন ও নির্মাণকাজের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সৈকত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে সেখানে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সচিব, বিমান ও পর্যটন সচিব, কক্সবাজারের সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিসহ সংশ্লিষ্ট ১১ জনকে চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থে করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল সোমবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) মার্কেট স্থাপন ও নির্মাণকাজের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আলী মোস্তফা খান।
গত ১৩ জুন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এক সভায় কক্সবাজার সৈকত ব্যবস্থাপনা কমিটির ইনানী, লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টে রাত্রিকালীন বাজার ও মার্কেট নির্মাণ এবং ইনানী পয়েন্টে ১৪৫টি দোকান নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৭৫ অনুসারে কক্সবাজারের সঙ্কটাপন্ন এলাকাগুলো সংরক্ষণের বিষয়ে বলা আছে।





