প্রাকৃতিক দুর্যোগ

নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

একদিনে যমুনায় পানি বাড়ল ২১ সেন্টিমিটার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত ৮ অগাস্ট, ২০২৩

আব্দুল লতিফ তালুকদার, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে আবারও পানি বৃদ্ধি অব্যহত রয়েছে। এছাড়া জেলার সকল শাখা নদ—নদীর পানি বৃদ্ধিও অব্যহত রয়েছে। ফলে নিম্নাঞ্চলের আবাদি জমির ধানের বীজতলাসহ রোপনকৃত ধানের চারা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে কৃষকরা।
টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯ টা থেকে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল ৯ টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র—যমুনা নদীর পানি পোড়াবাড়ি পয়েন্টে ২১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। এরআগে ১০ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার ছিল। যা এখনো বিপৎসীমার ৮৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
অপরদিকে, ধলেশ্বরী নদীর পানি এলাসিন পয়েন্টে বৃদ্ধি পেয়েছে ২০ সেন্টিমিটার, বংশাই নদীর পানি কাউলজানী ও মির্জাপুর পয়েন্টে ৩৫ সেন্টিমিটার, ফটিকজানী নদীর পানি নলচাপা পয়েন্টে ১৮ সেন্টিমিটার, ঝিনাই নদীর পানি জোকারচর পয়েন্টে ২৮ সেন্টিমিটার, বংশাই নদীর মধুপুর পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
এসব নদ—নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর ও মিজার্পুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন অব্যহত রয়েছে। এর ফলে ঘরবাড়ি, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে। দিশেহারা হয়ে পড়ছে নদীপাড়ের ভাঙন কবলিত মানুষ।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ—সহকারী প্রকৌশলী নূরুল আমিন জানান, কিছুদিন আগে টাঙ্গাইলের যমুনা নদীসহ জেলার ছোটবড় সকল নদ—নদীর পানি কমলেও গত দু’দিন ধরে টানা বৃষ্টির কারণে নদীতে ব্যাপকহারে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব বৃষ্টির পানি দ্রুত কমে যাবে বলে আশা করছি।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads