দ্বিতীয়দিনের মত কর্মবিরতি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কর্মকর্তারা। চাকুরির বয়সসীমা বৃদ্ধি, কর্মঘন্টা কমানোসহ তিনটি দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত এ কর্মবিরতি পালন করেছে তারা।
জানা যায়, বর্তমান সাড়ে সাত ঘন্টা থেকে দেড় ঘন্টা কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ৬ ঘন্টার দাবি, চাকরীর বয়সসীমা ৬০ থেকে দুই বছর বৃদ্ধি করে ৬২ করা এবং বেতন স্কেল বাড়ানোর দাবি করে এ কর্মবিরতি পালন করে কর্মকর্তারা। একইসাথে সপ্তাহব্যাপী এই কর্মবিরতি পালনের ঘোষণাও দিয়েছে তারা।
সোমবার সকালে সমিতির সভাপতি শামসুল ইসলাম জোহার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান করে কর্মকর্তারা। এসময় তারা সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করে। কর্মবিরতি থেকে কর্মকর্তা নেতারা একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের সময়সীমা সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৪টার পরিবর্তে সকাল ৮ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত করার দাবি জানায়। এছাড়া চাকুরির বয়সসীমা ৬০ থেকে বৃদ্ধি করে ৬২ এবং উপ-রেজিস্ট্রার এবং সমমানের কর্মকর্তাদের বেতন স্কেল চতুর্থ গ্রেডে (৫০ হাজার টাকা) এবং সহকারী রেজিস্ট্রার ও সমমানের কর্মকর্তাদের জন্য ষষ্ঠ গ্রেডে (৩৫ হাজার ৫০০ টাকা) করনের দাবি জানায় কর্মকর্তারা।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৭মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৪তম সিন্ডিকেটে ক্যাম্পাসের কর্মঘন্টা বৃদ্ধি করে অধ্যাপক আসকারী প্রশাসন। এর আগে ক্যাম্পাসের কর্মঘন্টা ছিল সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। সিন্ডিকেটে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত করা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের চাকরির বয়সসীমা ৬২ থেকে ৬০ করে প্রশাসন।
কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি শামসুল ইসলাম জোহা বলেন, ‘আমাদের এ আন্দোলন চলবে। বুধবার পর্যন্ত ২ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করবো। দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনে যাব।’
উল্লেখ্য, কর্মসূচির অংশ হিসেবে এর আগে একই দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, মৌন মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে কর্মকর্তারা।





