খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিন আজ। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বড়দিনের উৎসব পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গির্জা এ উপলক্ষে সেজেছে বর্ণিল সাজে। রাত সাড়ে আটটায় আর্চ বিশপের প্রার্থনা পরিচালনার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এই গির্জায় বড়দিনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম। এরপর সকালে প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হবে বড়দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা। বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব চার্চ ও তারকা হোটেলগুলোকে ক্রিসমাস ট্রি রঙিন বাতি, বেলুন আর ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি হোটেল ও পরিবারগুলোতে নানা ধরনের কেক, পিঠা ও বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। খ্রিস্টান ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী দুই হাজার বছর আগে এই শুভদিনে পৃথিবীকে আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিস্ট। বেথলেহেমের এক গোয়ালঘরে কুমারীমাতা মেরির কোলে জন্ম হয়েছিল যিশুর। খ্রিস্ট ধর্মানুসারীরা বিশ্বাস করেন, যিশু ঈশ্বরের পুত্র।
আজ সরকারি ছুটির দিন। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতারা খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।





