ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় হাট বাজারে শীতের সবজি উঠতে শুরু করেছে। সেই সাথে সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে সবজির দামে। শিম, মুলা, ফুলকপি, বেগুনসহ বিভিন্ন প্রকার সবজিতে কেজি প্রতি ২০-৫০ টাকা করে কমেছে। তবে এখনো বাজারে বেশী ভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার নিচে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে আলু, টমেটো, গাজর।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখন সবজির ভরা মৌসুম থাকায় দিন দিন সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আশা করছেন আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সরবরাহ আরো বৃদ্ধির পাশাপাশি দাম ও কমে আসবে। এদিকে সবজির দাম কমে আসতে শুরু করায় সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে অনেকটাই যেন স্বস্তি ফিরে আসতে শুরু করেছে।
সরেজমিনে পৌর শহরের সড়ক বাজারে ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি শিম ৫০-৬০, টমেটো ১১০-১২০, ফুলকপি ৪০-৪৫, করলা ৬০-৬৫, বেগুন ৪৫-৫০ আলো ৫০ পেঁপে ৪০, লতা ৩৫-৪০, মুলা ৩০-৩৫ লাউ প্রতি পিস ৩৫-৪০, গাজর-৭০, কাঁচা মরিচ- ১১০-১২০, ধনিয়াপাতা ৬০-৭০ কেজি বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে মাছের দাম কিছুটা কমেছে। পাঙ্গাস ১২০-১৪০,মাছ রুই (বড়) ২৫০, ছোট ১৩০-১৬০,কাতল ২৫০, তেলাপিয়া ৮০-৯০, কার্প ১২০-১৫০, টেংরা ৪৫০-৫৫০ বোয়াল ৫০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বাজার করতে আসা পৌর শহরের কলেজ পাড়া এলাকার সাহাব উদ্দিন বলেন, গত কয়েক দিন ধরে বাজারে সব ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে। তুলনামূলক ভাবে দাম আগের চেয়ে অনেক কমেছে। তাই প্রতিদিন টাটকা সবজি কেনা যাচ্ছে।
মো. আলফাজ মিয়া বলেন, আয় সীমিত হওয়ায় অনেক দিন ধরে দু’একা সবজি ছাড়া কিছুই বাজার থেকে কেনা যেতো না। এখন সবজির দাম কম থাকায় খুবই ভালো লাগছে। তাই এখন টাটকা সবজি কিনে খেতে পারছি।
সড়ক বাজার সবজি ব্যবসায়ী বাদল বণিক বলেন, তুলনামূলক ভাবে বাজারে সবজি সরবরাহ অনেক বেড়েছে। তাই দাম ও অনেক কমে গেছে। দিন দিন সবজির সরবরাহ আরো বৃদ্ধি পাবে সেই সাথে দাম ও আরো কমে যাবে।





