সারা দেশ

আখাউড়ায় ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানো হবে ২৫ হাজার শিশুকে

  • আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৯ ডিসেম্বর, ২০২১

সারা দেশের ন্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২৫ হাজার ১০০ শিশুকে একটি করে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পযর্ন্ত দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালে ৬-১১ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী প্রত্যেক শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এ দিকে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারী, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত অবহিতকরণ সভায় এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মাকর্তা ডা: মো. রাশেদুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন পরিবার পরিকল্পনা কর্মাকর্তা ডা: নুর মুহাম্মদ, ডা: শ্যামল চন্দ্র ভৌমিক, স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন প্রমূখ।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. আব্দুল আলিম, সিনি. ইন্সেপেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম, মেডিকেল টেকেনোলোজিস্ট মো. আব্দুল মোমেন শিক্ষক মো. মাহতাব উদ্দিন প্রমুখ।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন জানায়, পৌর শহরসহ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে ১২০টি অস্থায়ী এবং ১টি ইপিআইসহ ১২১টি কেন্দ্রে সর্বমোট ২৫ হাজার ১শত শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এরমধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু ২হাজার ৬শ জন এবং ১২মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু ২২ হাজার ৫শ জন রয়েছে। ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

উপজেলায় ১২০টি অস্থায়ী এবং ১টি ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব ক্যাপসুলগুলো খাওয়ানো হবে। সব শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে ৬০ জন তদারককারী এবং ২৪০ জন সেচ্ছাসেবক কর্মী তারা দায়িত্ব পালন কাজে নিয়োজিত থাকবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত লোকজনের মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। করোনার কথা বিবেচনা করে এ ক্যাম্পেইনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সতর্কতা অনুসরণ করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads