কক্সবাজারের টেকনাফে ধাওয়া করে ৯ জন রোহিঙ্গা ডাকাতকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে র্যাব । মঙ্গলবার সকালে টেকনাফের চাকমারকুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।
র্যাব-১৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান জানান, গত কয়েকদিন ধরে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলছিল। এতে গোলাগুলিতে ৩ রোহিঙ্গা নিহত হয়। এর প্রেক্ষিতে র্যাবের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।
তিনি আরও বলেন,অভিযান টের পেয়ে রোহিঙ্গা ডাকাতরা কুতুপালং ক্যাম্প থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে র্যাব তাদেরকে ধাওয়া করে। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার সকাল তাদেরকে ধাওয়া করতে
করতে টেকনাফের চাকমারকুল পাহাড়ি এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় ৪টি অস্ত্র, ২০ রাউন্ড ও কিছু কিরিচ উদ্ধার করা হয়।
এইসব সন্ত্রাসী বাহিনী গুলোর রয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র শস্ত্র। রোহিঙ্গা শিবিরের পাশের পাহাড় গুলোতে রয়েছে এদের আস্তানা। সন্ধ্যা নামলেই তারা পাহাড় থেকে নেমে এসে ক্যাম্পগুলোতে চালায় ত্রাসের রাজত্ব। শোনা যায় গুলির শব্দ। আইনশৃংখলা বাহিনী অভিযানে গেলেই তারা পাহাড়ে আত্মগোপন করে। ডাকাত জকিরকে গ্রেপ্তার করতে হেলিকপ্টার ও ড্রোন নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশান ব্যাটালিয়ন র্যাব বেশ কয়েকদফা অভিযান চালালেও জকির অথবা হাকিম কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি এ পর্যন্ত। আবার এইসব সন্ত্রাসী বাহিনীর কোন সদস্যকে আইন শৃংখলা বাহিনী আটক করলেও অদৃশ্য ক্ষমতার বলে অল্পদিনেই তারা আইনের ফাঁক ফোকর গলে বেরিয়ে পড়ে পুনরায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করে।
র্যাব-১৫ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান বলেন,আটক ৯ জনই রোহিঙ্গা ডাকাত। তাদেরকে আইনী প্রক্রিয়া শেষে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এবং আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।





