মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শেষখর ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ইছামতি নদীর উপড় একটি বাঁশের সাঁকো। পাকা সেতুর অভাবে ওই বাঁশের সাঁকোতে পারাপার হচ্ছে হাজারো মানুষ। শেখরনগর ইউনিয়নের ফইনপুর,কালসুর,কানাইনগর,হাটখোলা,কৃননগর,খাসসুলসহ ১০ টি গ্রামের মানুষ প্রতিদিন হাট-বাজার, গ্রাম-গঞ্জে ও স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে থাকে ওই বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে। জীবনের ঝুকি নিয়ে একটি কলেজ, দুইটি মাধ্যমিক এবং দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরসহ প্রায় ১ হাজার লোকের মত প্রতিদিন ওই বাঁশের সাঁকোতে পারাপার হচ্ছে।
শেখরনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রবিউল আওয়াল বলেন, ‘একটি সেতুর অভাবে গ্রামের স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েসহ হাজারো মানুষকে প্রতিদিন কষ্ট করে সাঁকো পার হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে ।’
গ্রামবাসীদের সাথে কথা হলে অনেকেই আক্ষেপের সুরে বলেন, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা আমাদের কাছে আসে ভোট নিতে। অনেকেই প্রতিশ্রুতি দেয় আমাদের যাতায়াতের পথে সেতু নির্মাণ করে দেওয়ার। কিন্তু নির্বাচনের পর কেউ আর গ্রামবাসীদের খোজ-খবর নেয় না।
শেখরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম জানান, ‘এই সাকো দিয়ে প্রতিদিন শত শত স্কুল,কলেজের শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসী আসা যাওয়া করে । সেতু নির্মাণ হলে এলাকাবাসীর কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে ।’
উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই সেতু নির্মাণের জন্য বহুদিনের প্রাণের দাবি ওই এলাকার মানুষের । বাঁশের সাঁকো দিয়ে ওই এলাকার মানুষ অনেক কষ্টে যাতায়াত করতে হয় । স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসীর জন্য কি ভাবে এই সেতু নির্মাণ করা যায় সে জন্য আমাদের এমপি সাহেব সহ আমরা চেষ্টা করছি। সেতু যেন ব্রিজটা নির্মাণ করা যায়। যাতে এলাকার মানুষ গুলোর দুর্ভোগ কমাতে পারি।
সিরাজদিখান উপজেল নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশফিকুন নাহার বলেন,‘এই বিষয়টি আমি অবগত আছি । স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের আন্ডারে আমাদের এই সেতুটি তাদের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত আছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই সেতুটি করার ব্যাপারে ভালো একটা ফল পাবো । ’





