রাত পোহালেই সম্মেলন, পদ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা

সম্মেলনের জন্য কলেজ মাঠে প্রস্তুত করা হচ্ছে মঞ্চ

ছবিঃ রাব্বি ইসলাম

সারা দেশ

মির্জাপুর উপজেলা আ.লীগ

রাত পোহালেই সম্মেলন, পদ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা

ফেসবুক দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন নেতা-কর্মীরা

  • মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৩০ মার্চ, ২০২২

দীর্ঘ ৭ বছর পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। ওই সম্মেলনে প্রয়াত এমপি একাব্বর হোসেন সভাপতি ও মীর শরীফ মাহমুদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে নেতৃত্ব দেয়া নতুন দুই মুখ নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

সম্মেলনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও পদপ্রার্থী এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে তেমন কোনো উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়নি। নেতৃত্বের সমর্থনে পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড, তোরণ তেমনটা না দেখা গেলেও কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে পদ-পদবীর সমর্থনে স্ট্যাটাস দিয়ে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং বিভিন্ন পদপ্রার্থী নেতার সমর্থকেরাও ফেসবুকে প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

উপজেলা আ.লীগ সুত্র জানায়, ২০১৪ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে এ উপজেলার সবশেষ কমিটি হয়। তারও প্রায় আড়াই বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। ২০১৭ সালে একাধিকবার কমিটির বিভিন্ন পদে পরিবর্তন আসায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয় এবং পূর্বের কমিটিতে নাম থাকায় সেই পদ ব্যবহার নিয়েও হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। প্রয়াত এমপি একাব্বর হোসেনের ইন্তেকালের পর জৈষ্ঠ্যতার ক্রমানুসারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মীর এনায়েত হোসেন মন্টু। এভাবেই চলছে থাকে আ.লীগের নানা কর্মকাণ্ড। হঠাৎ করেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয় গত ০১ মার্চ। তবে অভ্যন্তরীণ কারণে সেই তারিখ পিছিয়ে মার্চ মাসের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়। সম্মেলনে অন্যান্য বছরের মতো তেমন কোনো ব্যানার, পোস্টার, বিলবোর্ড, তোরণ লক্ষ্য করা না গেলেও ফেইসবুক দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকেই। মির্জাপুর সরকারি কলেজের ভেতর মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এ সম্মেলন।

জানা যায়, আ.লীগের এক বর্ধিত সভায় সম্মেলনকে ঘিরে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে নাম প্রকাশ করেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ। তবে স্থানীয সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভর কর্মী-সমর্থকেরা তাকে সভাপতি হিসেবে পেতে আগ্রহ প্রকাশ করে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙিয়েছেন ও ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বেড়াচ্ছেন। এদিকে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীতা কেউ ঘোষণা না দিলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে জানা যায় প্রার্থী হয়েছেন একাধিক নেতা। তারা হলেন, জেলা আ.লীগের সদস্য মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খন্দকার এ হাফিজ, উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মোজাহিদুল ইসলাম মনির ও আবু রায়হান সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুর রহমান তালুকদার রাজীব ও সৈয়দ ওয়াহিদ ইকবাল, প্রয়াত এমপি একাব্বর হোসেনের ছেলে তাহরীম হোসেন সীমান্ত।

উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী রাজনীতি করছি, শেষ সময়ে সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে চাই।

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মীর এনায়েত হোসেন মন্টু এ সম্মেলনে কোনো প্রার্থী নয় উল্লেখ করে বলেন, বিগত সম্মেলনের চাইতে এবারের সম্মেলন সুন্দর ও সাফল্যমণ্ডিত হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads