প্রথম দিনে নির্ধারিত সময়ে অফিসে আসেননি সরকারি কর্মকর্তারা!

ছবি: বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

অফিসে ঝুলছিলো তালা

প্রথম দিনে নির্ধারিত সময়ে অফিসে আসেননি সরকারি কর্মকর্তারা!

  • মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৪ অগাস্ট, ২০২২

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকারি ও স্বায়ত্তাশাসিত অফিসগুলো সকাল আটটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও আদেশ জারির পর প্রথম দিনেই টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দেখা গেছে কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির চিত্র।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা চত্বর পরিদর্শন করে এ চিত্র দেখা যায়। ঘড়ির কাটায় যখন আটটা বেজে ত্রিশ মিনিট তখন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে অফিসের সহকারীরা থাকলেও কর্মকর্তা নিজেই অনুপস্থিত ছিলেন। ওই দপ্তরের সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বাবুল জানান, স্যার এখনো অফিসে আসেনি,কিছুক্ষণের মধ্যে পৌছে যাবে।

অনুপস্থিতির কারণ জানতে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রওশনআরা বেগমের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগায়োগের চেষ্টা করেও স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। পরিবার পরিকল্পনা (পঃপঃ) কার্যালয়ে গিয়েও একই চিত্র লক্ষ্য করা যায়। অফিস খোলা থাকলেও কর্মকর্তার কক্ষ ফাঁকা দেখা যায়।

যোগাযোগ করা হলে মেডিকেল অফিসার ডাঃ মো. আরিফ হোসেন জানান, এখনো সে বাসায় আছেন। অফিসে আসেননি কেন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমি ঘাটাইল উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি, তাই একটু দেরি হচ্ছে। একই দপ্তরের মেডিকেল অফিসার সোহেলী শারমিনও অনুপস্থিত ছিলেন। এসময় অফিস সহকারী বিউটি আক্তার, টিএফপি মো. মফিজ উদ্দিন অনুপস্থিত ছিলেন। যদিও পরে আসার পর সাংবাদিকদের কথা শুনে তারা বিভিন্নভাবে তদবির চালায়। সকাল আটটা ৫০ মিনিটে গিয়ে মির্জাপুর সদর (পৌরসভা) ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় প্রধান ফটকে ঝুলছে তালা। বেলা গড়িয়ে নয়টা বাজার পরই হঠাৎ একজন মহিলার উপস্থিতি। কাছে এসে বললো কি হয়েছে, কাকে চাচ্ছেন। সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পরই তিনি দ্রুত চাবি দিয়ে অফিসের তালা খুলতে শুরু করেন। জানা যায়, ওই অফিসে অফিস সহায়ক ও আয়া পদ শূন্য থাকায় পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হাসিনা আক্তার নিজেই অফিস খুলেন।

জানতে চাইলে বলেন, নতুন নিয়ম করা হলেও কোনো কর্মকর্তাই এখন পর্যন্ত অফিসে আসেননি। কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট সমর চন্দ্র কর্মকারের সাথে যোগাযোগে তিনি বলেন, আমি অফিসে আসতেছি। উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রোকসানা আক্তার টাঙ্গাইলে দাপ্তরিক এক প্রশিক্ষণে আছেন বলে জানান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জারিকৃত চিঠি মির্জাপুরে সকল দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। যদি কেউ যথাসময়ে অফিস নিয়মিত না করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads