আমদানি-রফতানি

চূড়ান্ত হচ্ছে হিমায়িত মাংস আমদানি নীতিমালা

  • তরিকুল ইসলাম সুমন
  • প্রকাশিত ২২ মে, ২০২৪

উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ হিমায়িত মাংস আমদানি বিষয়ক ‘হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণ সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৩’ এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে খসড়াটি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় নিক নির্দেশনা দিয়েছে। তারই আলোকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিমার্জন শেষে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য নীতিমালাটি পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য (খাদ্য ভোগ ও ভোক্তা অধিকার) এবং খসড়া প্রণয়ন কমিটির প্রধান আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।

তিনি বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে আমরা বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। বৈঠক শেষে খসড়াটির খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে বেশকিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এটি পরিমার্জন করে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাণিসম্পদ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে এখন হিমায়িত মাংস আমদানি করা যায়। কিন্তু ২০২৩ সালে একটি প্রতিষ্ঠানের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণ সংক্রান্ত নীতিমালা করার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। এরই ধারাবাহিকতায় নীতিমালাটির খসড়া প্রণয়ন করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

সূত্র জানায়, নীতিমালার খসড়া অনুযায়ী আমদানিকৃত মাংসের পরীক্ষিত নমুনার সন্তোষজনক রিপোর্টের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে ছাড়পত্র দেবে। ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সেই মাংস বাজারজাত করবে এবং ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত বাজারজাত বা বিক্রি বন্ধ রাখবে।

খসড়া নীতিমালায় আমদানি, বাজারজাত, সংরক্ষণ এবং পরিবহণ ১৭টি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে, এগুলো হলো- আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরসহ সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগের বিদ্যমান আমদানি সংক্রান্ত আইন, বিধি ও প্রবিধানগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। আমদানিকারক, পরিবেশক, বিক্রেতাকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য (খাদ্য ব্যবসায়ীর বাধ্যবাধকতা) প্রবিধানমালা এবং নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রবিধানমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সব আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে তার আওতাধীন সব ডিস্ট্রিবিউটর বা পাইকারি বিক্রেতার নাম, ঠিকানা, লাইসেন্স নম্বর, ফোন নম্বর ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করতে হবে। সব আমদানিকারককে হিমাগারে মাংস সংরক্ষণ করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হিমাগারের ঠিকানাসহ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের স্থানীয় কার্যালয়, অথবা প্রধান কার্যালয়কে অবহিত করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ই-মেইলে অবহিত করার ক্ষেত্রে অটোরেসপন্স কার্যকর হবে এবং অবহিত করার ১২ ঘণ্টা পর ওই মাংস বিক্রি শুরু করা যাবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা নিয়মিত হিমাগার পরিদর্শন করবেন এবং পরিদর্শন বা পরিবীক্ষণকালে আমদানি করা মাংসের লট বা লটের কোনো অংশ অনিরাপদ মনে হলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠাবে।

নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে। পরীক্ষিত নমুনার সন্তোষজনক রিপোর্টের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ে ছাড়পত্র দেবে। ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সেই মাংস বাজারজাত করবে এবং ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত বাজারজাত বা বিক্রি বন্ধ রাখবে।

পরীক্ষিত কোনো নমুনার ফলাফলে যদি খাদ্যবাহিত বা জুনেটিক রোগের অস্তিত্ব পাওয়া যায়, বা ওই মাংস খাওয়ার অনুপযোগী হিসেবে বিবেচিত হয়, তাহলে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নিজ খরচে ওই আমদানি করা মাংসের লট বা লটের অংশ ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০’ অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থায় ধ্বংস করবে। ধ্বংস করার আগে নমুনা পরীক্ষা বা বিশ্লেষণের ফলাফলে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ সংক্ষুব্ধ হলে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিষয়টি অবহিত করার তিন কর্ম দিবসের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বিবেচনার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারবে এবং কর্তৃপক্ষ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মচারী পরিবীক্ষণকালে হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, প্রক্রিয়াকরণ, বিপণন ও বিক্রয় সংশ্লিষ্ট যে কোনো ডকুমেন্টস দেখতে চাইলে, তা বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য (খাদ্য ব্যবসায়ীর বাধ্যবাধকতা) প্রবিধানমালা অনুযায়ী, তাৎক্ষণিকভাবে প্রদর্শন বা সরবরাহ করতে হবে।

খসড়া নীতিমালায় আমদানি পর্যায়ে শর্তগুলো হচ্ছে- হিমায়িত মাংস আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানিকারক দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্যসনদ নিশ্চিত করতে হবে।

যেখানে সংশ্লিষ্ট প্রাণিটি জবাইয়ের সময় সম্পূর্ণ রোগমুক্ত ছিল (ক্ষুরা রোগ, অ্যানথ্রাক্সসহ যে কোনো ধরনের ছোঁয়াচে রোগ), প্রাণিটির শরীরে কোনো অ্যান্টিবায়োটিকের অবশিষ্টাংশ বা ক্ষতিকর ভারী ধাতুর (মাত্রা অতিরিক্ত) উপস্থিতি ছিল না এবং প্রাণিটি জবাইয়ের পূর্ব থেকে প্রক্রিয়াকরণের সব পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা মানদণ্ড নিশ্চিতকরণের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে।

হিমায়িত মাংস আমদানির সময় মোড়কীকরণের ক্ষেত্রে ফুড গ্রেড মোড়ক ব্যবহার করতে হবে এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। বন্দর থেকে মাংসের চালান খালাসের সময় কমপক্ষে ৫০ ভাগ মেয়াদ উত্তীর্ণের সময়কাল অবশিষ্ট থাকতে হবে।

হিমায়িত মাংস আমদানির ক্ষেত্রে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানিকারক দেশের যথাযথ সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত মুসলিম রীতি অনুযায়ী, প্রাণী জবাইয়ের (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) হালাল সনদ নিশ্চিত করতে হবে।

পরিবহন পর্যায়ে খসড়া তিনটি শর্তের উল্লেখ করা হয়েছে, বন্দর থেকে মাংস অবমুক্তির পর হতে বিতরণের আগ পর্যন্ত পরিবহনের সব ক্ষেত্রে কমপক্ষে মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে মাইনাস ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, অথবা এর নিম্ন তাপমাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহনের সব ক্ষেত্রে কন্টেইনারে তাপমাত্রা ডাটালগার (টিডিএল) বা তাপমাত্রা পরিমাপকযন্ত্র থাকতে হবে। পরিবহনের ক্ষেত্রে অনুজৈবিকসহ কোনো ধরনের দূষণ যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত কোল্ড স্টোরেজের কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের অনুমোদন থাকতে হবে। কোল্ড স্টোরেজে অবশ্যই তাপমাত্রা ডাটালগার (টিডিএল) থাকতে হবে। কোল্ড স্টোরেজে হিমায়িত মাংস সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব তথ্যের রেকর্ড রাখতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে সফটওয়্যার-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা সুবিধার দিকে অগ্রসর হতে হবে।

কোল্ড স্টোরেজ অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ থাকতে হবে। কোল্ড স্টোরেজে হিমায়িত মাংস ও অন্যান্য কৃষিপণ্য অবশ্যই আলাদা আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

বাজারজাত করার ক্ষেত্রে আরও ৫টি বিষয় অবশ্যই মেনে চলতে হবে। এগুলো হচ্ছে- বাজারজাত করার সব পর্যায়ে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মাংসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য (স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সংরক্ষণ) প্রবিধানমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। মাংস বিক্রির সময় মোড়কীকরণের ক্ষেত্রে ফুড গ্রেড মোড়ক ব্যবহার করতে হবে। মোড়কের গায়ে অবশ্যই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও মূল মোড়কের মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখসহ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান/কোল্ড স্টোরেজ বা ডিস্ট্রিবিউটর বা পাইকারি মাংস বিক্রেতা কর্তৃক হিমায়িত মাংস বিক্রির সময় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে হিমায়িত মাংস ক্রয়কারী সব প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির (সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা, লাইসেন্স নম্বর, ফোন নম্বর ইত্যাদি) বিস্তারিত তথ্যসহ ভাউচার সংরক্ষণ করতে হবে এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চাহিদা মোতাবেক সরবরাহ করতে হবে।

হিমায়িত মাংস বাজারজাত করার সময় কোনো ধরনের রঙ এবং প্রিজারভেটিভস মেশানো যাবে না। খুচরা বিক্রেতাদের কাছে আমদানি করা হিমায়িত মাংস বিক্রির সময় অবশ্যই আলাদাভাবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রাণীর নাম সংবলিত ঘোষণা জনসম্মুখে প্রদর্শন করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নীতি চূড়ান্ত হলে ব্রাজিল, ভারতসহ অন্য সুবিধাজনক দেশগুলো থেকে হিমায়িত মাংস ও মাছ আমদানি সহজ হবে। বাংলাদেশে এখন গরুর মাংস বাজার ভেদে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং মুরগির মাংস ২২০-২৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয় সীমার বাইরে। পুষ্টি চাহিদা পূরণে এই নীতিমালা দ্রুত অনুমোদন প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, গত ৭ এপ্রিল বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করেছিলেন ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরা। ওই বৈঠকে মাউরো বাংলাদেশে হিমায়িত গরুর মাংস বিক্রির প্রস্তাব দেন।

বৈঠক থেকে বের হয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ব্রাজিলকে বলেছি, মাংসের বদলে গরু পাঠাতে, সম্ভব হলে সেটি এই কোরবানি ঈদের আগেই পাঠাতে।

ওই বৈঠকের পর গত ৫ মে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ‘হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিতরণ নীতিমালা ২০২৩’ চূড়ান্ত করতে একটি কমিটি গঠন করে। নীতিমালাটি চূড়ান্ত হলে হিমায়িত মাংস আমদানিতে বাধা থাকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছর ১০ মে ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এক টন হিমায়িত মহিষের মাংস আমদানি করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ মাংসের চালানটি ছাড় করেনি। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করে ওই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। পরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে ডেকে এনে একটি নীতিমালা করার নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত। এই নীতিমালার খসড়া এরই মধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে নিরাপদ খাদ্য অধিদফতরের সদস্য আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, ‘এই নীতিমালার মাধ্যমে সব ধরনের হিমায়িত মাংস আমদানি, সংরক্ষণ ও বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যদি নীতিমালাটি অনুমোদন পায়, তাহলে ব্রাজিলসহ যে কোনো দেশ থেকে মাংস আমদানি করতে এই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘ভারত থেকে মাংস আমদানি করা নিয়ে হাইকোর্টে একটা রিট হয়েছিল। তারই প্রেক্ষিতে আদালত নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে ডেকে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা করতে বলেছেন। এরপর তাদের গঠিত কমিটি স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত এবং সেটি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় আরও কিছু কোয়েরি যুক্ত করে খসড়াটি ফেরত পাঠিয়েছে। কমিটি এখন কয়েকজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে কোয়ারিগুলো ঠিক করবে। এরপর খসড়া নীতিমালাটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads