গাজীপুরের শ্রীপুরে মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়ি থেকে স্ত্রী সস্তানসহ চার জনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকালে জেলার শ্রীপুর উপজেলার আবদার এলাকার প্রবাসী কাজল মিয়ার বাড়ি থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন- প্রবাসী কাজল মিয়ার স্ত্রী স্মৃতি ফাতেমা, সাত বছরের প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিন, বড় মেয়ে নুরা (দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী) এবং ছোট মেয়ে হাওয়ারীন (সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী)।
গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল শেখ বলেন, ‘গলাকাটা লাশগুলো দেখে তাদের চাচা আরিফুল ইসলাম পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাড়ি ঘিরে ফেলে। পরে ফরেনসিক বিভাগকে খবর দেওয়া হয়েছে।’
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাদের হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘তবে কি কারণে হত্যা সংগঠিত হয়েছে এখনই বলা যাচ্ছে না।’
নিহতের স্বজনরা জানান, কাজল ২০০০ সালের আগেই মালয়েশিয়াতে পারি জমান। পরে সেখানে ইন্দোনেশিয়ান নারীকে (ফাতেমা) বিয়ে করেন। ওখানেই তাদের বড় মেয়ের জন্ম হয়। পরে এ দেশে আসলে আরো এক মেয়ে ও এক ছেলের জন্ম হয়। কাজল এখনো মালয়েশিয়াতে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। সময় করে ছুটিতে এসে পরিবারকে সময় দেন।
প্রতিবেশীরা জানান, খুবই ভাল মানুষ ছিলেন তারা। দশ বার বছর হলো এ এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করেন। দেশে করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবে মানুষজন সবাই নিজের ঘর বাড়িতেই অবস্থান করছে। বিদেশি নারী হলেও সবার সাথে ভাল মিলে থাকত।
তারা জানান, আজ দুপুরের পরে এ ঘটনা সবাই টের পেয়েছে। কোনো সারা শব্দ না পেয়ে পুলিশ খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।
কালিয়াকৈর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) আল মামুন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এসপি স্যারও ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন। চারটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খুনের রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ ও পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার পিপিএম এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী।





