দৌলতদিয়ায় ফেরি থেকে জুয়াড়– চক্রের ৭ সদস্যকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে যাত্রীরা।
আজ বুধবার ভোরে ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান তাদের আটক করা হয়। দুপুরে আটক জুয়াড়–দের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে আদালত প্রত্যেককে ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে রাজবাড়ী কারাগারে পাঠিয়ে দেয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলো গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস মিয়া পাড়া গ্রামের মৃত কছিমদ্দিন মন্ডলের ছেলে আমজাদ মন্ডল (৩৯), আলাউদ্দিন মন্ডল (৫৫), বাহিরচর সাহাদত মেম্বার পাড়া গ্রামের মৃত তফিল সিকদারের ছেলে হোসেন সিকদার (৩৫), হোসেন মন্ডলের পাড়া গ্রামের মৃত আজিবর মন্ডলের ছেলে এরশাদ মন্ডল (৩০), উত্তর দৌলতদিয়া মজিদ শেখের পাড়া গ্রামের মৃত মোবারক মোল্লার ছেলে আব্বাস আলী মোল্লা (৪৫), কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার ঘুঘুর হাট গ্রামের শেখ আমজাদ হোসেনের ছেলে শেখ সোহেল (২২), মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার সমেজঘর তেউতা গ্রামের মৃত আজগর মুন্সির ছেলে আইয়ুব আলী (৪০)।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই শহর আলী জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর ফেরিতে তিন তাসের আসর বসিয়ে বিভিন্ন যাত্রীদের কাছ থেকে সুকৌশলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছিল জুয়াড়ীদের দলটি। এ সময় জুয়াড়ীরা এক বৃদ্ধ যাত্রীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ওই বৃদ্ধের চিৎকার চেচামেচিসহ জুয়াড়ীদের সকল অপকর্মের ভিডিও চিত্র ধারন করেন অপর এক যাত্রী। এরপর ফেরিটি দৌলতদিয়া ঘাটে ভেড়ার আগেই ওই যাত্রী দ্রুত ঘাটে দায়িত্বরত পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাৎক্ষনিক ফেরিতে উঠে তল্লাশী শুরু করে। এ সময় ফেরির যাত্রীরা ওই জুয়াড়ীদের পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
এরপর পুলিশ তাদের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করলে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুবায়েত হায়াত শিপলু প্রত্যেক জুয়াড়–কে ১ মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে রাজবাড়ী কারাগারে পাঠিয়ে দেন।





