গোদাগাড়ীতে ছেলে ধরা সন্দেহে ৩ জনকে পুলিশে সোপর্দ

গোদাগাড়ীতে ছেলে ধরা সন্দেহে আটক ৩ জনকে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী

ছবি : বাংলাদেশের খবর

সারা দেশ

গোদাগাড়ীতে ছেলে ধরা সন্দেহে ৩ জনকে পুলিশে সোপর্দ

  • প্রকাশিত ২৪ জুলাই, ২০১৯

গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি:

সঙ্গে ৭ বছর বয়সি শিশুকন্য দেখে ছেলেধরা সন্দেহে তিনজনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসি।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে গোদাগাড়ী উপজেলার খারজিাগাতী মোল্লাপড়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশের হাতে সোপর্দ করা তিনজন হলেন : চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হরিশপুর গ্রামের এহসান আলী কালু, তার বন্ধু চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ফাটাপাড়া গ্রামের রবিউল ইসলাম ও এহসানের স্ত্রী চরবাগডাংগা গ্রামে সেলিনা বেগম। সঙ্গে থাকা ৭ বছর বয়সী শিশুর নাম মৌসুমি খাতুন। সে সেলিনার চাচাতো বোন।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, বনিবনা না হওয়ায় সম্প্রতি এহসান ও তার স্ত্রী সেলিনার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকেই বাবার বাড়িতে থাকতেন সেলিনা। তবে তাদের ভাঙা সংসার জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন বন্ধু রবিউল। বিরোধ মেটাতে মঙ্গলবার এহসান ও সেলিনাকে নিয়ে রবিউল তার মামা মো. শামসুদ্দিনের বাড়ি খারিজাগাতি কচিয়াপাড়ায় বেড়াতে এসেছিলেন। এ সময় বাবার বাড়ি থেকে সেলিনা চাচাতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে এসে ছিলেন। কিন্তু এহসান ও সেলিনার বিরোধ মেটানো যায়নি। শেষে কচিয়াপাড়া থেকে বুধবার সকালে নিজ নিজ বাড়ি ফেরার পথে মোল্লাপাড়ায় আবারও বিবাদে জড়িয়ে পড়েন তারা। এদিকে কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় ছেলেধরা সন্দেহে এলাকাবাসী তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সেখানে পৌঁছে শিশুসহ চার জনকে উদ্ধার করে প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

ওসি আরো জানান, আদতে তারা ছেলেধরা নন। সবার আত্মীয়-স্বজনকে খবর দেয়া হয়েছে। এলেই সবাইকে তাদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হবে।

সন্দেহজনক কিছু পেলে আইন নিজের হাতে না তুলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads