বাগেরহাটের চিতলমারী ছয় বছরের শিশু খালিদ তালুকদারকে অপহরণের ৪৮ ঘন্টা পর তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার বিকেলে বাগেরহাট পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়ের উপস্থিতিতে পার্শ্ববর্তী সবুর তালুকদারের মাছের ঘের থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
খালিদ তালুকদার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সরকারী বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ কাওছার আলী তালুকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় খালিদের পিতা কাওসার তালুকদার বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম এজাহার ভুক্ত ও অজ্ঞাত নামা ৭/৮ জনের নাম উল্লেখ করে চিতলমারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করেছে।
ঘটনার বিবরণে জানাগেছে, কাওসার আলী তালুকদারের সাথে একই গ্রামের লাকফার তালুকদারসহ কয়েক ব্যক্তির জমিজমা সংক্রান্ত ধরে বিরোধ চলে আসছিল। লাকফার তালুকদার গ্রুপ কয়েকমাস পূর্বে বহিরাগত লোকজন এনে আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাওসার আলী তালুকদারকে বেধড়ক মারপিট করে ফেলে রেখে চলে যায়। সন্ত্রাসী ওই গ্রুপটি গত ১৫ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কাওসার তালুকদারের বাড়ী সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী মসজিদে তার শিশু পুত্র মো: খালিদ তালুকদার (০৬) তার এক শিশু খেলার সাথীকে নিয়ে খেলা করছিল। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে লাকফার গ্রুপ খালিদকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় চিতলমারী থানায় মামলা হওয়ার পর পুলিশ খালিদকে উদ্ধারের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। সোমবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় শিশুরা খেলতে গিয়ে ঘেরর ভিতর খালিদের লাশ ভাসতে দেখে চিৎকার করলে সবাই এসে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ খালিদের লাশ পার্শ্ববর্তী সবুর তালুকদারের ঘের থেকে উদ্ধার করে।
এ সময় বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার পংকজ কুমার রায়, চিতলমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবেরা কামাল স্বপ্না, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াদ মুন্সী, সরকারী বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজের শিক্ষকবৃন্দসহ হাজার হাজার উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।





