ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সর্বত্র হাট বাজারে মৌসুমি ফল কাঁঠাল বিক্রি হচ্ছে। এখানকার কাঁঠাল মিষ্টি রসালো ও স্বাদ গন্ধে অতুলনীয়। এ কারণে এর চাহিদাও রয়েছে বেশ ভালো।
স্থানীয় কৃষকরা জানায়, এখানকার কাঁঠাল পাকাতে কোনো প্রকার রাসায়নিক কেমিকেল দেওয়া হয় না। স্বাভাবিকভাবে পাকার পর তা বাজারজাত করা হচ্ছে। এদিকে মঙ্গলবার উপজেলার মোগড়া এলাকায় এক কাঁঠাল বিক্রি হয়েছে ৭০০ টাকায়। কাঁঠালটির ৩০ কেজি ওজন ছিল । এই কাঁঠালটি বাজারে আগত লোকদের নজর কেড়েছে। অনেকেই দেখতে ভিড় জমান। কাঁঠালটি বিক্রি করতে বাড়ি থেকে একটি ব্যাটারি চালিত অটো রিকশায় করে বাজারে আনা হয়। কাঁঠাল বিক্রেতা মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কর্মমঠ এলাকার মো: সোহরাব ভূইয়া বলেন, তার বাগানে ৩৫ টি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। সবকটি গাছে এ মৌসুমে বেশ কাঁঠাল এসেছে। গত প্রায় ১ মাস ধরে তিনি স্থানীয় বাজাওে কাঁঠাল বিক্রি করছেন। তার বাগানে থাকা ৫-৬টি গাছে বড় আকারের বেশ কয়েকটি কাঁঠাল এসেছে। এরমধ্যে এই কাঁঠালটি সব চাইতে বড়। গাছে কাঁঠালটি পেকে যাওয়ায় তিনি বিক্রি করতে বাজারে নিয়ে আসেন। কাঁঠালটি অটো রিকশার থেকে নামানো মুহুর্তে এক লোক দেখে তার পছন্দ হয়। ওই লোকের কাছে তিনি ৭শ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি আরো বলেন গাছে থাকা অন্যান্য কাঁঠাল বর্তমানে তিনি ৪০-৮০ টাকায় বিক্রি করছেন। তার গাছে আরো ৩ টি বড় কাঁঠাল রয়েছে যার উজন হবে ১৫-২০ কেজি।
আশুগঞ্জের ক্রেতা মো: ইউসুব মিয়া বলেন, তিনি আখাউড়ায় এক সিগারেট কোম্পানিতে কাজ করেন। কাঁঠালটি দেখে তার পছন্দ হওয়ায় তিনি ক্রয় করেন। গত দুই দিন আগে বাড়ি থেকে তার মা বাবা ও ছোট ভাই বেড়াতে এসেছেন। তারা সবাই কাঁঠাল পছন্দ করেন। তাই এই কাঁঠালটি কেনা হয়েছে।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন কাঁঠালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভিটামিন-সি ,ভিটামিন-বি, ভিটামিন ই- ক্যালসিয়াম ফলিক এসিড রয়েছে । পাকা কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণ আঁশ রয়েছে। পাঁকা কাঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। এ মৌসুমে কাঁঠালের ভালো ফলন হয়েছে। এখানকার কাঁঠাল মিষ্টি ও রসালু হওয়ায় কদরও রয়েছে ভাল। ফলন ভালো করতে সার্বিকভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়।





