হেফাজতে ইসলামের হরতালে অচল হয়ে পড়েছে সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। আজ রোববার ভোর ৬টা থেকে সাইনবোর্ড-শিমরাইল মোড় পর্যন্ত মহাসড়কে কমপক্ষে ৩০ টি স্পটে আগুন ধরিয়ে লাঠি-সোটা নিয়ে হরতাল পালন করে হেফাজত নেতাকর্মীরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। চরম ভোগান্তিতে পড়ে হাজার হাজার যাত্রী সাধরণ।
দলীয় সূত্র জানায়, পূর্বঘোষিত হরতাল পালন করতে ফজরের নামাজের পর সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকার সকল কওমী মাদ্রাসার হাজার হাজার ছাত্র শিক্ষক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেয়। টায়ার ও কাঠের স্তুপ করে আগুন ধরিয়ে দেয় মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে। চলতে দেয়নি কোন যানবাহন। যানবাহনহীন ফাঁকা সড়কে লাঠি হাতে নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয় হরতাল পালনকারীরা।
সকাল ৯ টার দিকে জেলা পুলিশ সুপার মো: জায়েদুল আলমের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা হারতাল পালনকারীদের মহাড়ক থেকে সড়ে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করলেও তারা কর্ণপাত করেননি। ফলে ব্যর্থ হয় প্রশাসনের প্রচেষ্টা। তবে ঘটেনি কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা। নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে প্রশাসন।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি বশির উল্লাহ সকাল ৮ টার দিকে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল কর্মসূচি পালন করছি। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিলে ভয়াবহ পরিণতি হবে বলে হুশিয়ারী দেন। বেলা সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত হেফাজত নেতাকর্মী মহাসড়কে অবস্থান করছে। প্রশাসনের লোকজন শান্তিপূর্ণভাবে বুঝিয়ে হরতালকারীদের মহাসড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।
এদিকে হরতালে মহাসড়কে যানবাহন না চলায় ভোগান্তিতে পড়ে হাজার হাজার যাত্রীসাধারণ। অনেকই পায়ে হেটে গন্তব্যে পৌছে। রোগীবাহী এম্বোলেন্স, গণমাধ্যম কর্মীদের মোটরসাইকেল পর্যন্ত চলতে দেয়নি হরতালকারীরা।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান বলেন, বিশৃঙ্খলা এড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মহাসড়ক থেকে সড়ে যাওয়ার জন্য হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বুঝানো হচ্ছে।





